‘গৃহিনীদের সন্তুষ্টির ওপর নির্ভর করবে মশক কর্মীদের বেতন-ভাতা’

‘গৃহিনীদের সন্তুষ্টির ওপর নির্ভর করবে মশক কর্মীদের বেতন-ভাতা’
- প্রতিবেদক

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৩ জুন ২০২০, ২১:০৫

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) এলাকায় মশক নিধন কর্মীদের বেতন-ভাতা নির্ভর করবে গৃহিণীদের সন্তুষ্টির ওপর।

বুধবার (৩ জুন) মিরপুর মাজার রোডের ১০ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে ডিএনসিসির প্রথম করপোরেশন সভায় এ কথা জানিয়েছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

ডিএনসিসির মেয়র বলেছেন, ‘ডিএনসিসি এলাকাকে ৪০০ মিটার বাই ৪০০ মিটার গ্রিডে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রিডে বসবাসরত একজন গৃহিণীকে মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে। একটি গ্রিডে কর্মরত মশক কর্মীর কাজে ওই গ্রিডে বসবাসরত গৃহিণী সন্তুষ্ট কি না, তা ডিএনসিসির অ্যাপের মাধ্যমে প্রকাশ করবেন। তার সন্তুষ্টির ওপর নির্ভর করবে মশক নিধন কর্মীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা। ওই অ্যাপের মাধ্যমে মেয়রসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ কোনো এলাকার মশক নিধন কার্যক্রমের কী অবস্থা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবেন। জনগণকে মশক নিধন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতেই এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া যেন গত বছরের মতো ভয়াবহ রূপ নিতে না পারে, সেজন্য আমি আগে থেকেই সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। ১০ মে থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে।’

জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘বর্ষাকালে রাস্তায় যেন পানি না জমে সেজন্য নগরীর ড্রেন, খাল পরিষ্কার ও খনন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কালশী খাল খনন করা হয়েছে। আশকোনা এলাকায় সিভিল এভিয়েশনের এডি-৮ খাল খনন শুরু করা হয়েছে। এছাড়া, বনানীর প্রধান সড়ক ও উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে।’

সভায় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাই, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর সাইদুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান প্রকৌশলী আমিরুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...