ইউনাইটেড হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রই মেয়াদোত্তীর্ণ

ইউনাইটেড হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রই মেয়াদোত্তীর্ণ
ইউনাইটেড হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রই মেয়াদোত্তীর্ণ - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • শাহীন করিম
  • ২৯ মে ২০২০, ০০:১৩

রাজধানীর গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এসি বিস্ফোরণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস।

ওই মর্মান্তিক ঘটনায় পাঁচজন রোগীর প্রাণহানির নেপথ্যের কারণ ও কর্তৃপক্ষের গাফিলতির বিষয়টি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে এই কমিটি।

অভিজাত হাসপাতালটির মূল ভবনের বাইরে বর্ধিত অংশ তাঁবু গেড়ে স্থাপিত আইসোলেশন ইউনিটে মোট ১২ টি ফায়ার এক্সটিংগুইশারের (অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র) মধ্যে ৮টি মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। ইউনাইটেড হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য স্থাপিত তাঁবুতে দাহ্য পদার্থের পরিমাণ বেশি ও প্রচুর পরিমাণ স্যানিটাইজার থাকায় আগুনের তীব্রতা বাড়ে। অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় সেখানে সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্তদের (কোভিড-১৯) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছেন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ কর্মকর্তারা।

এদিকে গতকাল দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল। এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারে না। আমি প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, ফায়ার ডিসটিংগুইশার ও সিলিন্ডার যেগুলো পাওয়া গেছে তার অধিকাংশগুলোই ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুন লেগে পাঁচজন রোগী নিহতের ঘটনাকে আনন্যাচারাল ডেথ (ইউডি) বা অস্বাভাবিক মৃত্যু উল্লেখ করে তড়িঘড়ি করে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা রোগীদের জন্য বর্ধিত অংশে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। তাদের তিনটি ইউনিট কাজ করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখায় সবকিছু জ্বলে-পুড়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন পাঁচ জন রোগী মারা যান, যারা হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আইসোলেশনে ছিলেন।

পাঁচ জনের মধ্যে চার জন পুরুষ ও এক নারী। নিহতরা হলেন- মোহাম্মদ মাহবুব (৫০), মনির হোসেন (৭৫), ভেরন অ্যান্থনি পল (৭৪), খোদেজা বেগম (৭০) ও রিয়াজ উল আলম (৫০)। তাদের মধ্যে প্রথম তিনজন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। বাকি দুজনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তারা রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিলেন। তারা সবাই প্রফেসর ড. মো. ওমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন বলে জানা গেছে।

আগুন লাগার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা অন্যকোনও উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তারা।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক (ঢাকা বিভাগ) দেবাশীষ বর্ধন বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতালের এক্সটেনশন সেটে (যেখানে করোনা রোগীদের চিকিৎসা হচ্ছিল) অনেক বৈদ্যুতিক তার ছিল। যেগুলো থেকে প্রচণ্ড ধোঁয়া সৃষ্টি হয়েছে। ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন পাঁচজন মারা গেছেন। এর বাইরে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইউনাইটেড হাসপাতালে ফায়ার হাইড্রেন্ট থাকলেও তা ফায়ার সার্ভিস আসার আগে ব্যবহার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন এই ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা বলেন, আগুন আরে আগে লাগলেও আমরা কন্ট্রোল রুমে তথ্য পেয়েছি ৯টা ৫৫ মিনিটে। আমাদের লোকজন আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।

হসপিটাল কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। মেয়াদোত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার তো কাজ করবে না। কাজ করেও নাই। আমাদের ইউনিটগুলো আসার পর দেখেছে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। অগ্নিনির্বাপণ করার পর আমরা পাঁচটি লাশ উদ্ধার করেছি।

ফায়ার এক্সটিংগুইশারগুলো ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ: মেয়াদোত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিল ইউনাইটেড হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা। মেয়াদোত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে আগুন নেভানো যায় না। এগুলো কাজ করে না। এর দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। দেড় মাস আগেই ফায়ার এক্সটিংগুইশারগুলো রিফিল করা উচিত ছিল বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে গঠিত কমিটির প্রধান দেবাশীষ বর্ধন ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গতকাল দুপুরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

জানা গেছে, হাসপাতালটির করোনা ইউনিটে মোট ১২টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ছিল, যার মধ্যে ৮-৯টি মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। মাস দুয়েক আগে এগুলো রিফিল করার কথা ছিল।

মেয়াদোত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না, জানতে চাইলে দেবাশীষ বর্ধন বলেন, অবশ্যই। আমরা তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করবো। মেয়াদোত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখার দায় হাসপাতালের। দেড়মাস আগেই রিফিল করা উচিত ছিল। হাসপাতালে ফায়ার হাইড্রেন্ট ছিল। কিন্তু আমরা আসার আগে কেউ কাজ করেনি। আমরা আসার পর একটা লাইন খোলা হয়।

তিনি বলেন, আগুন লাগার কারণ তদন্ত করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক তার, বিভিন্ন ডিভাইস, এসির ভেতরে থাকা দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান দেবাশীষ বর্ধন। তার ভাষ্য ভেতরে এসি ছিল, অনেক ইলেকট্রিকাল ডিভাইস ছিল, এসিগুলো নেগেটিভ প্রেসারে ছিল। আমরা সবগুলো খতিয়ে দেখছি।

দায় এড়াতে পারে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ- মেয়র আতিকুল: চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসা পাঁচ রোগীর এমন মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল। এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে পারে না। গতকাল দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

মেয়র বলেন, ঘটনা তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে সিআইডির ফরেনসিক টিম। তদন্তে কাজ করছে গুলশান থানা পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস থেকে আগুনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

মেয়র আতিকুল আরো বলেন, মানুষ হাসপাতালে আসে অসুস্থতা নিয়ে সুস্থ হওয়ার জন্য কিন্তু এখানে যেভাবে আগুন লেগে পাঁচজন রোগীর মৃত্যু হলো, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এর দায় কোনোভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গুলশানের ডিসির বক্তব্য: আগুনের খবরে ঘটনাস্থলে ছুটে যান ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সার্বিক খোঁজখবর নেয়ার পর তিনি বলেন,অগ্নিকাণ্ডের সময় এক রোগীর স্বজন গেটে দাঁড়ানো ছিলেন। তিনি ৯টা ৪৮ মিনিটে আগুন দেখে ৯৯৯-এ ফোন করেন। আমরা তার ফোন চেক করেছি। এর ফলে ধরে নিতে পারি অগ্নিকাণ্ডের সূচনা ৯টা ৪৮ মিনিটে। পরবর্তীতে ভাটারা থানার মাধ্যমে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে দ্রুত মেসেজ পাঠাই। তবে ফায়ার সার্ভিস আসা পর্যন্ত সময়ে হঠাৎ করেই আগুন বড় পর্যায়ে চলে যায়। এর ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে গুলশানের ডিসি সুদীপ বলেন, রোগীর স্বজনরা এসির স্পার্কিং থেকে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তাছাড়া, ওই তাঁবুর প্রায় সকল দ্রব্যাদি অনেক বেশি দাহ্য। সেখানে অনেক ধরনের স্যানিটাইজেশন উপাদান ছিল, যা খুবই দাহ্য পদার্থ। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বল্প সময়ে আগুন এখানে খুব বড় রূপ নেয় ও পাঁচজন নিরীহ রোগী মৃত্যুবরণ করেন।

স্যানিটাইজারের কারণে বাড়ে আগুনের তীব্রতা: ইউনাইটেড হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য স্থাপিত তাঁবুতে দাহ্য পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকায় আগুন বড় আকার ধারণ করে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থাপিত তাঁবুর ভেতরে যেসব সামগ্রী ছিল এগুলো বেশি দাহ্য, যার কারণে খুব দ্রুত আগুন লেগে যায়।

সেখানে যারা প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর আত্মীয় ছিলেন তাদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে যে এসি ছিল সেখানে স্পার্কিং হয়। সেটা থেকেই এখানে খুব দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এখানে থাকা উপাদান সবই দাহ্য পদার্থ ছিল। এখানে অনেক স্যানিটাইজার ছিল যা অনেক বেশি দাহ্য, এর প্রেক্ষিতে আগুন বড় রূপ নেয়। দাহ্য পদার্থের কারণে ফায়ার সার্ভিস আসার আগ পর্যন্ত আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

করোনা সন্দেহে বিকেলে হাসপাতালে, রাতে আগুনে মৃত্যু: জ্বর নিয়েই গুলশানের একটি বায়িং হাউসে অফিস করছিলেন রিয়াজুল আলম লিটন। করোনা সন্দেহে সহকর্মীরা পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান পাশের ইউনাইটেড হাসপাতালে। করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রাখেন লিটনকে।

অপেক্ষা করছিলেন পরীক্ষার ফলের জন্য। পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছিল ঠিকই, কিন্তু হাসপাতাল থেকে আর ফেরা হলো না। আগুনে পুড়ে নির্মম মৃত্যু হলো তার। বুধবার রাতে ইউনাইটেড হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে মারা যান লিটন। সকালে স্বজনরা তার লাশ গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ নিয়ে যান।

নিহত রিয়াজুল আলম লিটনের বড় ভাই রইসুল আজম ডাবলু জানান, তার ভাই স্ত্রী ফৌজিয়া আক্তার জেমি ও সাত বছরের একমাত্র সন্তান আসমাইন ফিয়াজকে নিয়ে শ্যামলী এলাকায় থাকতেন। বিদেশি একটি বায়িং হাউসের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করতেন লিটন। বুধবার অফিসে যাওয়ার পর শরীরে তাপমাত্রা একটু বেশি হওয়ায় করোনা পরীক্ষা করতে তিনি হাসপাতালে যান। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তার শরীর থেকে নমুনা নিয়ে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

রইসুল আজম ডাবলু বলেন, আমরা অপেক্ষা করছিলাম করোনা পরীক্ষার ফলাফলের জন্য। ফলাফল ঠিকই নেগেটিভ এলো। কিন্তু ভাই আমার বাঁচলো না। তাকে আগুনে পুড়ে মরতে হলো। তার এই অকাল মৃত্যুতে পুরো পরিবারে শোক নেমে এসেছে।

তাড়াহুড়ো করে অপমৃত্যুর মামলা: রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুন লেগে পাঁচজন রোগী নিহতের ঘটনাকে আনন্যাচারাল ডেথ (ইউডি) বা অস্বাভাবিক মৃত্যু উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গুলশান থানার এসআই সিনথিয়া আক্তার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার রাত ১২টার দিকে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলাটি করেছে। মামলা নম্বর ৮। মামলায় এই ঘটনাকে অস্বাভাবিক মৃত্যু বা ইউডি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: আগুন লাগার পর বুধবার গভীর রাতে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেন, আগুনে মৃত ৫ জনের মধ্যে ৩ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী ছিলেন। মৃতদের সবাই লাইফসাপোর্টে ছিলেন।

এতে আরো বলা হয়, হাসপাতালের মূল ভবনের বাইরে আইসোলেশন ইউনিটে আগুন লাগে ওই সময় আবহাওয়া খারাপ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে মৃত ওই পাঁচজনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় ইউনাইটেড হাসপাতাল দুঃখ প্রকাশ করেছে।




Loading...
ads






Loading...