বিক্ষোভের মুখে করোনা হাসপাতালের কাজ বন্ধ

বিক্ষোভের মুখে করোনা হাসপাতালের কাজ বন্ধ
বিক্ষোভের মুখে করোনা হাসপাতালের কাজ বন্ধ - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৮ মার্চ ২০২০, ১৯:৩৪

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তদের চিকিৎসায় রাজধানীতে চীনের আদলে হাসপাতাল নির্মাণ করতে চেয়েছিল আকিজ গ্রুপ। কিন্তু এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। হাসপাতালে জন্য নির্ধারিত জমিতে তাৎক্ষণিক হার্ডবোর্ডে ‘কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হলো’ লেখা টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আকিজ গ্রুপের আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক বাসিন্দা-ভাড়াটিয়া এসে বিক্ষোভ করেন। তারা সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান নেন। তাদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরেরও অভিযোগ পাওয়া যায়।

এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর এলাকাবাসীর সঙ্গে ছিলেন বলেও জানা যায়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ডিএমপি’র তেজগাঁও বিভাগের তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের সহকারী কমিশনার সালমান হাসান জানান, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল বানাচ্ছে আকিজ গ্রুপ এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ও স্থানীয়রা প্রতিষ্ঠানটির সামনে বিক্ষোভ করে। তারা এমন কোনো হাসপাতাল হতে দেবে না বলে দাবি করছে।

তিনি বলেন, আমি আকিজ গ্রুপ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি, আসলে হাসপাতাল নয় এখানে কোয়ারেন্টাইনের জন্য ভবন হচ্ছে।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি আলী হোসেন বলেন, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। যারা ভুল ম্যাসেজে ভুল বুঝে বিক্ষোভ করতে এসেছিল তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাশেদুল ইসলাম শোভন বলেন, র‌্যাংসের কাছ থেকে আকিজ গ্রুপ এই প্লটটা কিনেছে। আমরা শুনেছি তারা এই প্লটে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা করবেন। আমরা সবাই জানি এটা ছোঁয়াচে রোগ। এটা বাতাসেও ছড়ায়। ইতোমধ্যে বহু মানুষ মারা গেছে। আমরাও চাই এটার সঠিক চিকিৎসা হোক, সবাই সুস্থ হোক। কিন্তু এখানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার লোকের বসবাস। তাই আমরা চাচ্ছি না এলাকার ভেতরে এরকম একটা হাসপাতাল তৈরি হোক। আমরা চাই তারা এটা ঢাকার সিটির অন্য কোনো খালি জায়গায় করুক।

তিনি বলেন, আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। আমাদের কমিশনার এসেছিলেন। তারা গেট খুলছিল না। বাধ্য হয়ে আমরা ভিতরে ঢুকি, গিয়ে কথাবার্তা বলেছি। তারা বলেছেন, ‌‌আমাদের কাজ এখানে বন্ধ থাকবে। এখান থেকে সরিয়ে অন্য জায়গায় নিয়ে যাবে।

মানবকণ্ঠ/এসকে




Loading...
ads






Loading...