করোনার যুগে স্বাধীনতা দিবস

জাতীয় স্মৃতিসৌধ
জাতীয় স্মৃতিসৌধ - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • ড. মোহীত উল আলম
  • ২৬ মার্চ ২০২০, ০৯:২২

২০২০ সাল আমাদের মনে থাকবে সেই বছর হিসেবে যখন করোনা ভাইরাস নামক খালি চোখে দেখা যায় না এমন একটি ক্ষুদ্র কিন্তু দানবীয় ভাইরাস গোটা দুনিয়াকে তছনছ করে দিল। এ বছরটা আমাদের প্রিয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জণ।শবার্ষিকী। দেশব্যাপী একটি স্মরণীয় অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল তার জন্মদিন ১৭ মার্চে।

কিন্তু করোনার সন্ত্রাসে সে উৎসব করা গেল না। শুধু আমাদের জাতীয় অনুষ্ঠানগুলো নয় বিশ্ব পর্যায়ের সব ধরনের অনুষ্ঠানই বাতিল। খেলাধুলার জগতে ফতবলে এর মধ্যে ইউরোপীয় কাপ এবং কোপা আমেরিকান কাপ এক বছর পিছিয়ে গেছে। ক্রিকেটে বাংলাদেশের পাকিস্তান সফরের বাকি অংশটুকু বাতিল হয়েছে। জার্মানির প্রেসিডেন্ট অ্যাঞ্জেলা মার্কেল বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে এরকম দুর্যোগ আর নেমে আসেনি।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুয়েতেরেস আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা নেমে আসবে। বাংলাদেশে এখনো ২০ মার্চ পর্যন্ত, ভাইরাসটি তেমন মারাত্মক হয়ে দেখা দেয়নি, কিন্তু লোকজন গৃহবন্দি হয়ে দিন কাটানো শুরু করেছে। ঠিক একাত্তরের দিনগুলো যেন মনে পড়ছে। গুলির ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া যেত না, আর এখন অদৃশ্য এই ভাইরাসটির ভয়ে আমরা গোটা পৃথিবীর মানুষ যেন এক অর্নিদিষ্ট ভবিষ্যতের কাছে জিম্মি হয়ে গেলাম।

এজন্য এবারের স্বাধীনতা দিবসের ওপর লিখতে গিয়ে মন খারাপ করার কথাই বলতে হচ্ছে। স্বাধীনতার ৪৯ বছর শুরু হলো এবং সেদিনের ‘তলাবিহীন ঝুরি’ কথিত দেশটি এখন আট শতাংশ প্রবৃদ্ধির হারের দিকে দৌড়াচ্ছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসকে সাক্ষী মানলে মনে হচ্ছে এই প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি জীবনের আরো অনেক দিক আছে, যেগুলোর দিকে আমরা হয়তো মনোযোগ দিইনি।

আব্রাহাম লিংকনকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন কিনা। তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাকে যদি সমুদ্রের ঝড়ে যখন তার জাহাজ পতিত হয়েছে, যখন ‘নাচে মৃত্যু, নাচে জন্ম তালে, তালে’ অবস্থা সে সময় এই প্রশ্নটি করা হয়, তখন যে উত্তরটি তিনি দেবেন, সেটিই হবে ঠিক উত্তর। লিংকনের প্রসঙ্গটি আনলাম একটি কারণে।

করোনার ত্রাসের বিপরীতে ডাক্তারদের সেবাদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু বিরূপ প্রতিক্রিয়া সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হলে একজন চিকিৎসক ডাক্তারদের পক্ষে বললেন, ডাক্তাররাও মানুষ, তাদেরও মৃত্যুভয় আছে, তাদেরও সংসার আছে, সন্তানাদি আছে, কাজেই তাদের করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য উপযুক্ত সামগ্রী না দিয়ে তাদের চিকিৎসা করতে জোর করাটা হচ্ছে স্পষ্টত মানবাধিকার লংঘন।

তিনি আরো বললেন, সামরিক বাহিনীকে বন্দুক হেলমেট ছাড়া যুদ্ধে যেতে বললে তারা যাবে নাকি! প্রায় পনের মিনিটের ভিডিও, কিন্তু ডাক্তার সাহেবের প্রতিটি কথাই ছিল যুক্তিগ্রাহ্য। স্বাধীনতার দিনে করোনার সন্ত্রাসের বিপক্ষে ডাক্তার সাহেবের যুক্তিগুলো আলোচনায় আনলাম এজন্য, হয়তো আপাতদৃষ্টিতে আমরা বুঝতে পারছি না, কিন্তু ব্যাপারটি আসলে লিংকনের বক্তব্যের কাছাকাছি।

লিংকন বোঝাতে চেয়েছিলেন যে প্রবল ঝড়ের মুখে যখন কেউ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকে তখন তার বাছাইটি কেবল দুটো জিনিসের মধ্যে সংস্থিত হয়, এ ক্ষেত্রে ঈশ্বরে বিশ্বাস অথবা ঈশ্বরে অবিশ্বাস। হ্যামলেটের বিখ্যাত ‘টু বি অর নট টু বি’-তে সংশয়ের যে দোলাচল, সেটা থেকে বের হয়ে সে নিশ্চিতভাবে বলবে যে এইটিই সে চায়।

ঠিক সেরকম ডাক্তার সাহেব যিনি নিশ্চয় তার শিক্ষার্থী জীবন থেকে শুরু করে পেশাগত জীবনের শুরুর দিন থেকে এই শপথ করেছিলেন যে যে কোনো অবস্থাতেই তার মানবসেবায় ব্রতী হতে হবে, কিন্তু পারতপক্ষে তিনি যখন করোনার সন্ত্রাসের ফলে একটি বাছাইয়ের মুখোমুখি হলেন, তখন তার উপলব্ধি হলো যে ‘মানবসেবা’র ধারণাটা অমন সরলীকরণ করা যায় না।

এর অনেক উপ-জটিলতা আছে। এখানে তিনি আরেকটি কর্র্তৃপক্ষের ওপর দায় চাপিয়ে বললেন যে যতক্ষণ পর্যন্ত না তাকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার জন্য সারভাইভিং কিট দেয়া হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি চিকিৎসা সেবা দিতে বাধ্য নন। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সেই বিখ্যাত উচ্চারণ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’-কে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রয়াত মনীষী সরদার ফজলুল করিম বলেছিলেন যে স্বাধীনতার সংগ্রামের চেয়েও মুক্তির সংগ্রামের কথাটি অর্থের গুরুত্বে ব্যাপক।

যেমন আমরা বলতে পারি যে স্বাধীনতার সংগ্রাম হয়তো শেষ পর্যন্ত বন্দুক দিয়ে নিষ্পত্তি করা যায়, কিন্তু মুক্তির সংগ্রামটি একটি অনিবারিত, অসমাপ্য, একটি সর্বচেতনাব্যাপী ক্রমশ বৃদ্ধিমান একটি উপলব্ধি। এই মুক্তির সংগ্রামের বিষয়টি এ বছরের স্বাধীনতা দিবসের দিনে যেমন তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে, তেমনটি হয়তো এর আগের কোনো বছরে হয়নি। করোনা ভাইরাসই আমাদের জীবনের মৌলিক প্রশ্নের ব্যাপারে তীক্ষè বাছাইয়ের সম্মুখীন করে দিয়েছে।

মুক্তির সংগ্রামটি কীসের বিরুদ্ধে? ডাক্তার সাহেবের যুক্তিটি আবার দেখি। তার পেশাগত দক্ষতা মানবসেবার কাজে নিয়োজিত করতে হলে তাকে সে মতো ‘অস্ত্রশস্ত্র’-তো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ববহনকারী কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে। এটাই তার দাবি। এখানে ব্যাপারটি একটু ভাববার বিষয় হয়েছে। কথার কথা আজকে স্বাধীনতা দিবসে আমরা স্বাধীনতা পালন করছি কিছ–টা বিষাদ হয়ে, যেহেতু মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে সমূলে তেমন একটি দানবীয় ভাইরাসের উদয় হয়েছে।

কিন্তু আমরা যে স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছি, সেখানে বঙ্গবন্ধুর আজ্ঞা অনুযায়ী আমরা ‘যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে’ পড়েছিলাম। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রশিক্ষিত সামরিক বাহিনীর লোকজন যেমন ছিল, তেমনি হালকা থেকে ভারী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাধারণ বা বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধারাও ছিল, আরো ছিল অপ্রশিক্ষিত কিন্তু শুধু দেশ স্বাধীন করতে হবে এই জিগীষায় উদ্বুদ্ধ প্রচুর সাধারণ শ্রেণির লোক।

কাজেই এটা প্রমাণিত হয় যে একটা বিরাট দেশপ্রেমের আবেগে উদ্বেলিত হয়ে মানুষ লড়াইয়ে নামলে প্রশিক্ষিত আর অপ্রশিক্ষিত বলে কথা নেই, মানুষ শত্রুর কাছ থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে পারবে। যেভাবে আমরা পেরেছিলাম। কিন্তু শুধু দেশপ্রেমের আবেগ দিয়ে ক্রিকেটের মাঠে লড়াইয়ে জেতা যাবে না। সেখানে লাগবে দক্ষতা। যেমন শুধু আল্লাহকে ডাকলে পরীক্ষায় পাস করা যাবে না।

পরীক্ষায় পাসের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। ঠিক সে রকম করোনা ভাইরাসের ব্যাপারটি। ডাক্তার সাহেবের ভয় পাওয়াটি যৌক্তিক। কারণ কোভিড-১৯ হলো মারাত্মক দ্রুতগতি সম্পন্ন একটি সংক্রামক ভাইরাস। সেখানে এই সংক্রমেেণর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়েই তো মাঠে নামতে হবে।

তাহলে সরদার ফজলুল করিমের ভাষ্য অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর ‘মুক্তির সংগ্রাম’-কে এভাবে ব্যাখ্যা করা যায় যে করোনা ভাইরাসকে মোকাবিলা করতে হলে সম্পূর্ণভাবে দায়িত্ব পরিগ্রহণের একটি বিষয় রয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপালনের অনুসারী দায়িত্ব হলো চিকিৎসকের দায়িত্ব। অর্থাৎ ‘ক’ তার দায়িত্ব পালন করলে, ‘খ’ তার দায়িত্ব পালন করবে।

এভাবে বুঝে যে উপলব্ধিটি আমাদের এখানে তথাকথিত খাঁচা থেকে মুক্ত হলো, সেটি হলো চিকিৎসা শাস্ত্রের গোড়াপত্তনের বেলায় ‘মানবসেবা’ কথাটি মৌল উদ্দেশ্য হলেও আজকে করোনার আক্রমণের শিকার না হলে আমরা বুঝতাম না যে চিকিসকের ‘মানবসেবা’র প্রত্যয়টিও পুনঃযাচাই করার প্রয়োজন আছে। অর্থাৎ পুরনো একটি ধারণা থেকে নতুন ধারণায় অবতরণ করার অর্থই হলো মুক্তির সংগ্রামে আমাদের একধাপ এগিয়ে যাওয়া। সেই অর্থেই বঙ্গবন্ধু ‘মুক্তির সংগ্রাম’ কথাটি বুঝেছিলেন। সেই অর্থেই সরদার ফজলুল করিম চেয়েছিলেন শব্দযুগল ব্যাখ্যাত হোক। এবং সে অর্থেই আমরা চাই পুরনো ধারণা ভাঙার সংগ্রাম এগিয়ে যাক।

আরেকটি প্রসঙ্গ টেনে আজকের স্বাধীনতা দিবসের লেখাটি শেষ করব। সেটিও করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত। করোনা শব্দটি ল্যাতিন, এবং এর অর্থ ইংরেজিতে ক্রাউন, আর বাংলায় রাজমুকত কেননা ভাইরাসটি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে রাজমুকুটের মতোই দেখায়। রাজমুকত না বলে মৃত্যু-মুকত বলাই ভালো। চীনে প্রথম এই ভাইরাসটি দেখা যায়।

চীন থেকে সেটা পৃথিবী ভ্রমণে বের হলে এর দ্বিতীয় ঘাঁটি গাড়ে ইতালিতে। আবার ইউরোপে ব্রিটেনের পর সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী হিসেবে আছে ইতালিতে। করোনার ত্রাসে ইতালিতে যখন লোক মারা যেতে লাগল, তখন গোটা ইতালিতে লক-ডাউন ঘোষণা করা হলো। তখন অধিকাংশ বাংলাদেশি অভিবাসী প্লেন ভরে ভরে দেশে ফেরত আসতে লাগল, প্রধানত ভয় পেয়ে, দ্বিতীয়ত ছুটি কাটাতে।

তখন ঢাকার বিমানবন্দরে একটা ঝামেলা হলো, হলো হাজি ক্যাম্পেও। ঝামেলা হলো সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে প্রত্যাগত অভিবাসীদের দুই সপ্তাহের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে, অর্থাৎ জনবিচ্ছিন্ন থাকতে হবে। কিন্তু প্রত্যাগত লোকেরা হাজি ক্যাম্পের অগোছাল পরিবেশ দেখে ভীষণ ক্ষুব্ধ হলো এবং থাকতে রাজি হলো না।

কেউ কেউ বাংলাদেশ সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করল। এতে আবার ক্ষেপে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই প্রত্যাগত লোকদের ‘কামলা’ বলে অভিহিত করল কেউ একজন। এতে আবার আরেক পক্ষ বলল, যারা দিনাতিপাত পরিশ্রম করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বৃদ্ধি করছে এবং যাদের পাঠানো টাকায় বাংলাদেশ আট শতাংশ প্রবৃদ্ধির দিকে দৌড়াচ্ছে তাদের কোথায় না সম্মানজনকভাবে কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করে রাখতে হবে, তা না করে রূঢ় ব্যবহার দিয়ে তাদের অপমান করা হলো।

শুনেছি আমাদের উপার্জনের খাতে বস্ত্র শিল্পের পরেই নাকি রেমিট্যান্সের অবস্থান। আবার খোদ ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি অভিবাসী যারা চলে আসেনি, তারা যারা চলে এসেছে তাদের সমালোচনা করে বলছে যে এটা তারা ভালো কাজ করেনি, কারণ শরীরে হয়তো এই ভয়ঙ্কর ছোঁয়াছে ভাইরাসটি বহন করে তারা তাদের বাবা-মা, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

এই ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন মন্তব্য করেছেন যে এরা জীবনের সবকিছু ত্যাগ করে অমানুষিক পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে তাদের কষ্টার্জিত টাকা দেশে পাঠালেও সেতো তাদের নিজেদের পরিবারের উন্নতি সাধনের জন্য, এর সঙ্গে দেশপ্রেমের কী সম্পর্ক আছে!

এটিও একটি দ্বিধান্বিত ইস্যু! এদের কি আমরা বিমানবন্দর থেকে ফেরত দিয়ে দেয়া উচিত ছিল, নাকি এদের যথোপযুক্ত কোয়ারেনটাইনের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। ভারত থেকে আগত চৌদ্দজন বাংলাদেশি যারা নাকি ইতালি থেকে ভারত হয়ে আগমন করছিলেন বলে ভারত সরকার তাদের দিল্লিতে চৌদ্দদিনের কোয়ারেন্টাইনে রেখেছিল, তাদের একজন সংবাদকর্মীকে সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে তাদের খুব সুন্দর ব্যবস্থায় রাখা হয়েছিল।

চিকিৎসকের দাবির সঙ্গে স্বস্থ কোয়ারেন্টাইনের দাবিও প্রায় এক। ‘মুক্তির সংগ্রামের’ নিহিত অর্থ হচ্ছে প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে নাগরিকের সর্বপ্রকার অভাব মেটানোর দায়িত্বও কর্তৃপক্ষের ওপর ন্যস্ত হতে হবে।

এভাবে আরো অসংখ্য বিষয় আছে যেগুলোর প্রতি কর্তৃপক্ষীয় দায়িত্ব পালনের দায়টি আন্তরিকভাবে দেখা হলে বঙ্গবন্ধুর অমর বাণী ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম’ আকাক্সক্ষাটি ক্রমশ বাস্তবে রূপ নেবে এবং বাংলাদেশ একদিন সোনার বাংলা হবে।

লেখক : ড. মোহীত উল আলম- শিক্ষাবিদ, গবেষক, কথাসাহিত্যিক





ads







Loading...