সারাদেশে দুদকের পাঁচ অভিযান

সারাদেশে দুদকের পাঁচ অভিযান
সারাদেশে দুদকের পাঁচ অভিযান - ফাইল ছবি।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২০:৫৩

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচটি অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। সোমবার ১৬ টি অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়েছে দুদক। এর মধ্যে পাঁচটিতে অভিযান ছাড়াও দু’টিতে টেলিফোনে নির্দেশনা ও নয়টি দফতরে চিঠি দেয়া হয়।

দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের অভিযোগ কেন্দ্র-১০৬ এ তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজশে অবৈধভাবে লাইন ব্যবহার করার অভিযোগ আসে ‘নিউ রাঁধুনি রেস্টুরেন্টে’র বিরুদ্ধে। সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর সহকারী পরিচালক আমির হোসেনের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত ওই রেস্টুরেন্টে অভিযান পরিচালনা করে।

সরেজমিনে দুদক টিম দেখতে পায়, রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে কয়েকটি সিলিন্ডারে গ্যাস রেখে রান্নার চিত্র দেখা গেলেও এর মূল রান্না চলে পাশের একটি আবাসিক ভবনে। সেখানে চারটি বড় বার্নার স্থাপন করে ২৪ ঘণ্টা অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বঞ্চিত হয়। তিতাস গ্যাসের কুড়িল অঞ্চলের সহযোগিতায় অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং জরিমানা করার প্রক্রিয়া চলছে।

গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্টকার্ড বিতরণে অফিস সহায়ক আসমা বেগম কার্ড প্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করছেন। ঘুষ না পেয়ে তিনি সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ কেন্দ্র-১০৬ এ অভিযোগ করেন একজন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ আমলে নিয়ে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের অনুরোধ করেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আসমা বেগমকে শোকজ করেন এবং বদলির ব্যবস্থা করছেন বলে জানা যায়।

চট্টগ্রামের লোহাগড়া নির্বাচন কার্যালয়ে চলমান ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমে ছবি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হচ্ছে এমন আরেকটি অভিযোগ আসে দুদক অভিযোগ কেন্দ্র-১০৬ এ। চট্টগ্রামের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঘুষবিহীন সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ও অফিস সহকারি খলিলুর রহমান খানকে তৎক্ষণাৎ শোকজ করেন এবং তাকে বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।

জনবল নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি, আসবাবপত্র মেরামতের নামে অর্থ আত্মসাত, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত ও কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে ধান ক্রয় কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রধান কার্যালয়, সমন্বিত জেলা কার্যালয় নোয়াখালী, খুলনা ও কুষ্টিয়া হতে আরও চারটি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

এনর্ফোসমেন্ট ইউনিটে আসা বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দুদককে অবহিত করতে বলা হয়েছে বিভিন্ন দফতরকে। দফতরগুলো হলো- জেলা প্রশাসক, কুড়িগ্রাম; মহাপরিচালক, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর; প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর; বিভাগীয় কমিশনার, রংপুর; সেক্টর কমান্ডার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, রংপুর সদর; পুলিশ সুপার, রেলওয়ে পুলিশ; নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক বিভাগ বগুড়া; সিভিল সার্জন, নেত্রকোণা; জেনারেল ম্যানেজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, চট্টগ্রাম।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...