• মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • ই-পেপার
12 12 12 12
দিন ঘন্টা  মিনিট  সেকেন্ড 

সংসদে বিকেএসপি আইন পাস

সংসদে বিকেএসপি আইন পাস
জাতীয় সংসদ - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ২০:৩৭,  আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ২০:৪৪

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) অধ্যাদেশ রহিত করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইন, ২০২০ বিল পাস হয়েছে। ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্রতিভা অন্বেষনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীসহ নিবিড় প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন আইনটি আনা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে বিলটি প্রস্তাব করলে তা কন্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, রওশন আরা মান্নানের দু’টি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। তবে বিলের ওপর আনীত জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবসমুহ কন্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়। জাতীয় পার্টিও কাজী ফিরোজ রশীদ, পীর ফজলুর রহমান, মুজিবুল হক, ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ ও ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা, গণফোরামের মোকাব্বির খান এসব প্রস্তাব আনেন। পরে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইন, ২০২০ বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

বিলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীকে বোর্ডের চেয়ারমান ও প্রতিমন্ত্রীকে ভাইস চেয়ারম্যান ও ক্রীড়া সচিব, অর্থসচিবসহ ১৯ সদস্য বিশিষ্ট বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ড গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। বিলে অধ্যাদেশ বলে প্রতিষ্ঠিত বিকেএসপিইর সকল কার্যক্রম এই আইনের অধীনে হয়েছে বলে গণ্য হবে। এছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের সকল সম্পদ অধিকার ক্ষমতা, সকল ঋণ দায় ও দায়িত্ব, সকল চুক্তিসহ মামলার ধারাবাহিকতা একইভাবে বহাল থাকবে। বিলে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে বলা হয়, উন্নত মানের ক্রীড়া বিজ্ঞানী, কোচ, রেফারি এবং আম্পায়ার তৈরী, বিভিন্ন দেশীয় খেলাধূলার বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার আয়োজন, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক ও যোগাযোগ স্থাপন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৯৮২ সালে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের ঘোষণা বলে প্রতিষ্ঠিত হয়। সামরিক ফরমান বলে জারিকৃত অধ্যাদেশসমুহের অনুমোদন ও সমর্থন সম্বলিত সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ১৯ অনুচ্ছেদ আদালত কর্তৃক বিলুপ্ত হয়। একইসঙ্গে সংবিধানের সপ্তম সংশোধন আইন ১৯৮৬ বাতিল ঘোষিত হওয়ায় উক্ত অধ্যাদেশের কার্যকারিতা লোপ পায়। কিন্তু উক্ত অধ্যাদেশসমুহের মধ্যে বিকেএসপিসহ কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর রাখতে ২০১৩ সালে প্রণীত আইন দ্বারা সুরক্ষা দেয়া হয়। উক্ত অধ্যাদেশের আবশ্যকতা ও প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন করে বাংলা ভাষায় নতুনভাবে আইন প্রণয়ণের জন্য সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তাই বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) অধ্যাদেশ রহিত করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১৯ বিল সংসদে উত্থাপন করা হলো।

মানবকণ্ঠ/এসকে




Loading...
ads






Loading...