ধর্ষক মজনুর সঙ্গে সব আলামতের মিল পেয়েছে  ডিবি

মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ২৩:১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় সব আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডিবির কাছে প্রতিবেদন জমা হয়েছে। যেসব তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, তা সংগৃহীত  আলামতের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এরই মধ্যে ধর্ষক মজনুকে জিজ্ঞাসাবাদেও অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) উপকমিশনার মশিউর বলেন, ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হাসপাতালে তার কাছ থেকে নেওয়া তথ্যের সঙ্গে মজনুকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের হুবহু মিল রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সিআইডি ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। সেগুলো ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে যে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, তার সঙ্গে ধর্ষক মজনুর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদনের মিল রয়েছে।

ডিবি’র এই উপকমিশনার আরো বলেন, এখন কেবল ওই তরুণীর ভ্যাজাইনাল সোয়াবের সঙ্গে মজনুর ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনের ম্যাচিং বাকি। এছাড়া বাকি সব পরীক্ষার প্রতিবেদন মিলেছে। তাতে এটি প্রতীয়মান হয়, মজনুই ওই ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছে।

মশিউর বলেন, রিমান্ড শেষে মজনুকে আদালতে পাঠানো হবে। আদালতে মজনু ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেবে বলে সম্মত হয়েছে। তার জবানবন্দি পাওয়া গেলে এবং ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে এলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই চার্জশিট দেওয়া হবে।

ডিবি সূত্র জানিয়েছে, রিমান্ডেও ডিবির কাছে ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে মজনু। ঢাবি শিক্ষার্থী ছাড়াও মজনু গত ১০ বছর ধরে একাধিক প্রতিবন্ধী ও ভিক্ষুক নারীকে ধর্ষণ করার কথাও অকপটে স্বীকার করেছে। মজনু একাই যে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করেছে, তার সঙ্গে আর কেউ ছিল না, সে কথাও জানিয়েছে জিজ্ঞাসাবাদে।

উল্লেখ্য গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাবির এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে কুর্মিটোলা বাস স্ট্যান্ডে নামেন। পথে তাকে অনুসরণ করে মজনু। একপর্যায়ে তাকে পেছন থেকে জাপটে ধরে ঝোঁপের আড়ালে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে।এ  ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনার চারদিনের দিনের মাথায় গত ৮ জানুয়ারি ভোরে রাজধানীর শেওড়া রেলক্রসিং থেকে মজনুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

মানবকণ্ঠ/টিএইচডি




Loading...
ads






Loading...