বালিশ কাণ্ড: গণপূর্তের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ গ্রেফতার ১৩


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:২৫

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত প্রকল্পের বালিশ ও আসবাবপত্র কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন— পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল কবির, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোস্তফা কামাল, এস্টিমেটর ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার নন্দী, সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক, সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রওশন আলী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তাহাজ্জুদ হোসেন, মজিদ সন্স কন্সট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী আসিফ হোসেন ও সাজিন কন্সট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. শাহাদাত হোসেন।

রূপপুর প্রকল্পের বালিশ কেলেঙ্কারি নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, প্রকল্পের রাশিয়ান কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৯৬৬টি ফ্ল্যাটের সরঞ্জামাদি সরবরাহ করতে বিভিন্ন আইটেমের ক্রয়মূল্য বাজার মূল্যের চেয়ে অস্বাভাবিক বেশি ধার্য করা হয়। এতে প্রতিটি বালিশের দাম ৫৯৫৭ টাকা এবং বালিশ ফ্ল্যাটে উঠানোর জন্য ৭৬০ টাকা ধরা হয়। এছাড়াও বৈদ্যুতিক চুলা ৭৭৪৭ টাকায় কিনে নীচতলা হতে উপরে তোলার জন্য ৬৬৫০ টাকা ব্যয় হয়। ঘটনা জানাজানি হলে আবাসন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

উল্লেখ্য, গত ২১ মে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, গ্রিনসিটি প্রকল্পের দুর্নীতির বিষয়টি কমিশন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আবাসন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দুটি তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে ।

ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটি অনিয়মের অভিযোগে গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের গণপূর্তের পাবনার প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে। ২২ মে প্রকৌশলী মাসুদুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ





ads






Loading...