‘ওসিরা নিজেদেরকে জমিদার মনে করেন’

‘ওসিরা নিজেদেরকে জমিদার মনে করেন’
‘ওসিরা নিজেদেরকে জমিদার মনে করেন’ - ফাইল ফটো

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৭

রিট আবেদনকারীকে হুমকি ও আইন কর্মকর্তাকে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে টাঙ্গাইলের সখিপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৭ ডিসেম্বর তাদেরকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। শুনানিতে আদালত বলেছেন-‘ওসিরা নিজেদেরকে জমিদার মনে করেন।’

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন তপু গোপাল ঘোষ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল প্রহলাদ দেবনাথ ও মোহাম্মদ সাইফুল আলম।

পরে আইনজীবী তপু গোপাল ঘোষ জানান, টাঙ্গাইলের সখিপুরের গজারিয়ার একটি সরকারি পুকুর ইজারায় সর্বোচ্চ দরদাতা অপু আহমেদকে না দিয়ে তার চেয়ে কম দরদাতাকে দেয়া হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অপু আহমেদ হাইকোর্টে রিট করেন। পরে আদালত এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তাকে খোঁজ খবর নিতে বলেন।

মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, ‘ইউএনও এ বিষয়ে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। উনি ওসি সাহেবকে বলেন আইন কর্মকর্তার আইডেন্টিটি ঠিক আছে কি না তা যাচাই করার জন্য। আজকে মামলার যে বাদী অপু আহমেদ তাকে ফোন করেন। তিনি ধমক দিয়ে বলেন, সে কোনো ঢাকায় অবস্থান করছেন?’

বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনার পর আদালত আদেশ দেন। আদেশে ইউএনও এবং ওসিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরের নির্দেশ দেন। কেন তারা আবেদনকারীকে ধমক দিয়েছেন এবং আইন কর্মকর্তাকে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। একইসঙ্গে ওই ইজারা কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা জারির আদেশ দিয়েছেন।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...