• বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২০
  • ই-পেপার

স্মার্টফোন কেনার জন্য ঋণ পাবেন নারীরা

স্মার্টফোন কেনার জন্য ঋণ পাবেন নারীরা
স্মার্টফোন কেনার জন্য ঋণ পাবেন নারীরা - সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:১২

স্মার্টফোন কেনার জন্য গ্রামীণ নারীদের ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে গ্রামীণফোন, ফেরাটম গ্রুপ এবং সৃজনী ফাউন্ডেশন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সম্প্রতি একটি অংশীদারি চুক্তিতে আবদ্ধ হয় প্রতিষ্ঠান তিনটি।

হাজারো ডিজিটাল সেবা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছে দেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের ক্ষেত্রে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাইরে রয়ে যাওয়ার হার আশঙ্কাজনক রকমের বেশি। গ্রামীণফোন, সৃজনী ফাউন্ডেশন এবং ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ব্যাংকিং লাইসেন্সধারী ইউরোপভিত্তিক অর্থপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ফেরাটমের এই যৌথ উদ্যোগের ফলে ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে গ্রামীণ নারীদের মাঝে স্মার্টফোন ব্যবহারের উপযোগিতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি, সাশ্রয়ী মূল্যের স্মার্টফোন ক্রয়ে নারীদের জন্যে বিশেষ ক্ষুদ্রঋণ প্রদান এবং সংযোগসহ স্মার্টফোন ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ৬ মাসের জন্যে ২০ জিবি ইন্টারনেট ডাটা প্রদান করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে গ্রামীণ নারীদের জন্যে স্মার্টফোন ক্রয়ে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানে কাজ করবে সৃজনী ফাউন্ডেশন এবং ফেরাটম গ্রুপ এবং স্মার্টফোন ও ডাটাসহ সংযোগ প্রদান করবে গ্রামীণফোন।

এ উপলক্ষে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ের ইনোভেশন ল্যাবে। আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম মেহের আফরোজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও ও সিএমও ইয়াসির আজমান, প্রোডাক্ট বিভাগের প্রধাম এ ই এম সাইদুর রহমান, ডিভাইস বিভাগের প্রধান সরদার শওকত আলী এবং হেড অব এক্সটারনাল কমিউনিকেশন্স মুহাম্মদ হাসান।

বেগম মেহের আফরোজ বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রয়াসের মূলে রয়েছে দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল সেবার আওতায় নিয়ে আসা। এই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। ইতোমধ্যেই প্রতি ১০ জনে ৬ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আমাদের এখন মূল লক্ষ্য হতে হবে ইন্টারনেট সেবার বাইরে রয়ে যাওয়া জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে ইন্টারনেট সেবার আওতায় নিয়ে আসার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের সকল সেবা তাঁদের দোরগড়ায় পৌঁছে দেয়া।’

গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও ও সিএমও ইয়াসির আজমান বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের উৎকর্ষের এই সময়ে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শহুরে জীবনের সুযোগ সুবিধাগুলো বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে পারি।’

সৃজনী ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী ড. এম হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ঋণ গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজিকরণের সাথে উৎপাদনমূলক কর্মকাণ্ড সরাসরি সম্পর্কিত বলে মনে করে সৃজনী। বিশেষ করে স্মার্টফোন ডিভাইসের ক্ষেত্রে অর্থায়নের সুযোগ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরাসরি ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এই যৌথ উদ্যোগের ফলে সমাজের অবহেলিত, সুবিধাবঞ্চিত এবং স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর মাঝে তথ্য সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে, ফলে কৃষি নির্ভর আর্থিক কর্মকান্ড কিংবা দারিদ্র বিমোচনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত কার্যক্রমকে করবে আরও গতিশীল।’

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...