'ডাবল সেঞ্চুরি নিয়ে ক্রিজে' পেঁয়াজ, সবজির 'মেজাজ গরম' 

মানবকণ্ঠ
ছবি - সংগৃহীত।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৯ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৫৪,  আপডেট: ২৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০৯

দেশের পেঁয়াজ বাজার অস্থিতিশীল প্রায় মাস দুই ধরে। এ সময়ের মধ্যে কয়েক দফায় দাম বেড়েছে নিত্যদিনের অতিপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির। সর্বশেষ ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে দেশের কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি দাম বিক্রি হয়েছে।

দেশের পেঁয়াজ বাজার অস্থিতিশীল প্রায় মাস দুই ধরে। এ সময়ের মধ্যে কয়েক দফায় দাম বেড়েছে নিত্যদিনের অতিপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির। সর্বশেষ ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে দেশের কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি দাম বিক্রি হয়েছে।

এদিকে রাজধানীতে নানা অযুহাতে বেড়েই চলেছে সবিজর দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাড়তি দামে বিক্রি হলেও গত সপ্তাহের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আলু, লাউ, জালিকুমড়া ও সব ধরনের শাক। এদিকে, ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে মাছের বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে সব মাছ কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। অপরিবর্তিত রয়েছে ডিম ও মাংসের বাজার।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট বাজার, কারওয়ান বাজার, কাঠালবাগান বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।

গত সপ্তাহে ব্যবসায়ীরা পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সবজি না আসার অযুহাতে দাম বাড়িয়ে দেন। এরপর থেকে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি।

এসব বাজারে বর্তমানে প্রতিকেজি শিম (কালো) বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, শিম (সাদা) ৮০ টাকা, গাজর (ফ্রেশ) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, গাজর রেগুলার ৭০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙা-ধুন্দল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, উস্তা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন আকারভেদে ৫০ থেকে ৯০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৪০ টাকা, শসা (প্রকারভেদে) ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শসা (ক্ষীরা) ৭০ টাকা, কচুর ছড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতিকেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকাতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আকারভেদে প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা, জালিকুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

বাজারে নতুন আলু এলেও সব ধরনের আলু চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। পুরাতন আলু ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, নতুন আলু (আকারভেদে) ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে এসব বাজারে। বাজারে পর্যাপ্ত সবজি থাকলেও দাম না কম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।

এসব বাজারে প্রতিকেজি (এক কেজি সাইজ) ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকায়, ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া কাচকি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, মলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোট পুঁটি (তাজা) ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, শিং ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, বাগদা ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাস ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৬০ টাকা, কই মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কাতল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ বাজারে ডিম, মুরগি ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এসব বাজারে প্রতিকেজি বয়লার ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, লেয়ার ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল ডিম প্রতি ডজন ১০০ টাকা, সাদা ৯৫ টাকা, হাঁসের ডিম ১৪৫ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা, খাসি ৭৮০ টাকা, ছাগলের মাংস ৭২০ টাকা কেজি দরে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads