ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে গুরুত্ব দেয়ার সুপারিশ

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে গুরুত্ব দেয়ার সুপারিশ
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে গুরুত্ব দেয়ার সুপারিশ - দৈনিক মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০ নভেম্বর ২০১৯, ২১:০৮

দেশের ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দিয়ে সহায়তা দেয়া হলে পুরো এসএমই খাত ও অর্থনীতি এগিয়ে যাবে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশে ৭৮ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৮ লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

‘বাংলাদেশের এসএমই খাতের উন্নয়নে জার্মানির অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা উঠে এসেছে। বুধবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এসএমই ফাউন্ডেশন পরিচালিত এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পের অবদান ১২ দশমিক ছয় ভাগ থেকে বেড়ে ২০১৭ সালে ১৪ দশমিক ১ ভাগ হয়। অথচ ক্ষুদ্র শিল্পের অবদান ৫ দশমিক এক ভাগ থেকে কমে হয়েছে ৩ দশমিক ২ ভাগ। অন্যদিকে দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মোট শিল্পের ৮৩ দশমিক ৭ ভাগ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা উইংয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খাস্তগীর এবং এফইএস, বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি টিনা ব্লুম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. এম এ বাকী খলীলীর নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণা দলের অন্য সদস্যরা হলেন, ড. মো. জামাল উদ্দিন, ড. মো. শরিয়ত উল্লাহ এবং ড. মো. তারেক। এসএমই ফাউন্ডেশনের পক্ষে এ গবেষণা তদারকি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. এম মাহবুব রহমান।

জার্মানির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের এসএমই খাতের উন্নয়নে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে গুরুত্ব দেয়ার সুপারিশ করা হয় গবেষণায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, জার্মানির কাছ থেকে পাওয়া অর্থ সুশাসন, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এখন থেকে এসএমই খাতের উন্নয়নেও ব্যয় করা হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে জার্মানি তিন খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে বছরে ৪০ কোটি ডলার সহায়তা করে থাকে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে এখন থেকে এ খাতেও সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে এ গবেষণার সুপারিশ পৌঁছে দিতে এসএমই ফাউন্ডেশনের বোর্ড সভায় এ নিয়ে আলোচনার পরামর্শ দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads





Loading...