সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছেন সহস্রাধিক পর্যটক

মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ১৮:৫৪,  আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:০৯

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়েছেন প্রায় ১২ শতাধিক পর্যটক। বঙ্গোপসাগর নিুচাপের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়া ৪নং সতর্ক সংকেত থাকায় শুক্রবার সকালে টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন যায়নি। ফলে পর্যটকরা ফিরতে পারছেন না।

তবে আটকা পড়া পর্যটকরা নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকালে পর্যটকরা সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে গিয়েছিলেন।

শুক্রবার সকাল থেকে সেন্টমার্টিন নৌরুট থেকে পর্যটকবাহী কোনো জাহাজ ছেড়ে যায়নি। এছাড়া কোনো নৌযান চলাচল করতে দেখা যায়নি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদের ব্যবস্থাপক শাহ আলম বলেন, ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুলের' কারণে সাগর উত্তাল ও জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ভ্রমণে আসা প্রায় ১২০০ মতো পর্যটক দ্বীপে রয়েছেন। তারা বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে নিরাপদে আছেন। সাগর স্বাভাবিক হয়ে গেলে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে।

সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুলের' ৮ নবেম্বর শুত্রুবার সকালে টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন আসেনি। ফলে সেন্টমার্টিনের ১ হাজার ২০০ পর্যটক আটকায় আছে। দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকদের খাদ্যসহ কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা হচ্ছে। যতদিন আবহাওয়া ভালো হবে না তথদিন হোটেল মালিকদের বলে দিয়েছেন তাদের কাছ থেকে হোটেল ভাড়া ৫০% করে নেয়ার জন্য।

টেকনাফ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, টেকনাফ থেকে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ, জলযান, মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার ফলে সর্তকতার জন্য সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে জাহাজসহ জলযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্বীপে হাজারের অধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তাদের খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি ভালো হলে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মানবকণ্ঠ/আরবি




Loading...
ads





Loading...