দারিদ্র্য নিরসনে বাংলাদেশের অনেক অর্জন

দারিদ্র্য নিরসনে বাংলাদেশের অনেক অর্জন
বিশ্বব্যাংকের লোগো - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:০০

দারিদ্র্য নিরসনে বাংলাদেশের অর্জন অনেক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ ও ভুটান) মার্সি মিয়াং টেম্বন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি প্রশংসাযোগ‌্য। এক্ষেত্রে সংখ্যা কোনো বিষয় নয়। ইতিবাচক উন্নতি যে হচ্ছে, এটিই অনেক বড় ব্যাপার। তাছাড়া, দারিদ্র্য নিরসনে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। গ্রামীণ অর্থনীতি ভালো করছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের কার্যালয়ে প্রেস বিফিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মার্সি মিয়াং টেম্বন বলেন, বাংলাদেশের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি প্রশংসাযোগ‌্য। এক্ষেত্রে সংখ্যা কোনো বিষয় নয়। ইতিবাচক উন্নতি যে হচ্ছে, এটিই অনেক বড় ব্যাপার। তাছাড়া, দারিদ্র্য নিরসনে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। গ্রামীণ অর্থনীতি ভালো করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াতে ব‌্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে হবে। কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষাব্যবস্থা খুবই জরুরি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে দক্ষ জনশক্তির বিকল্প নেই।

মার্সি মিয়াং টেম্বন বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য চলমান সংস্কার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, খেলাপি ঋণ কমানো, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষ নজর দিতে হবে বাংলাদেশকে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতিবাচক গতিতে এগুচ্ছে। ২০০৭ সালে এসেছিলাম, তখন বাংলাদেশ এ অবস্থায় ছিল না। বাংলাদেশে অনেক বিনিয়োগ হচ্ছে। ধীরে ধীরে সুফল পাওয়া যাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মার্সি মিয়াং টেম্বন বলেন, জিডিপি গ্রোথ কত হলো, এটা বিষয় না। বিষয় হলো এটা ইতিবাচক হচ্ছে কি না।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল সাড়ে ৫ শতাংশ।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads




Loading...