নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অভিযান অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:০৩,  আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:০৮

নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন. ঢাকার চারপাশে চারটি নদী রয়েছে। তবে দূষণ একটা সমস্যা। আমরা দূষণ প্রতিরোধ এবং নদীগুলোর নাব্য বাড়ানোর চেষ্টা করছি।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে রাজধানীর পানি সরবরাহে ওয়াসার দুটি প্রকল্প উদ্বোধন ও একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় নগরবাসীর কাছে নিরাপদ সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে ওয়াসাকে আরও উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দেন তিনি। এ সময় সুপেয় পানির জন্য বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহার করতে জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমাতেও আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবহারে সকলকে সচেতন হতে হবে। পানির অপচয় যাতে না হয় সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। আমাদের একটা অভ্যাস আছে, কল ছেড়ে রেখেই আমরা সব ধরনের কাজ শুরু করে দেই। কিন্তু সেটা না করে ঠিক যতটুকু দরকার ততটুকু ব্যবহার করতে হবে। এতে পানির বিল কম উঠবে। আমি যতই বলি আপনারা কম পানি ব্যবহার করেন, আপনারা করবেন না।

রাজধানীবাসীর পানির চাহিদা মেটাতে পদ্মা (যশলদিয়া) পানি শোধনাগার ফেজ-১, সাভার উপজেলার তেতুলঝরা ভাকুর্তা ওয়েলফিল্ড প্ল্যান্ট প্রথম পর্বের উদ্বোধন ও গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই প্রকল্প মিলিয়ে এখন ৬০ কোটি লিটার পানি বাড়ল রাজধানীবাসীর।

এর মধ্যে লৌহজং উপজেলার পদ্মা যশলদিয়া পানি শোধন প্ল্যান্টের মাধ্যমে প্রতিদিন ৪৫ কোটি লিটার শোধিত পদ্মা নদীর পানি আসবে ঢাকায়। এছাড়া রাজধানী মিরপুর এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সাভারের তেতুলঝরা-ভাকুর্তা এলাকায় ওয়েলফিল্ড নির্মাণ (১ম পর্ব) প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্প থেকে প্রতিদিন ১৫ কোটি লিটার পানি পাবে ঢাকাবাসী। দুই প্রকল্প মিলিয়ে এখন ৬০ কোটি লিটার পানি বাড়ল রাজধানীবাসীর।

পদ্মার পানি পদ্মা (যশলদিয়া) পানি শোধনাগারে নিয়ে সেখান থেকে পাইপের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হবে। ৩ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে এ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু কাং-ইল, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।

মানবকণ্ঠ/এএম




Loading...
ads




Loading...