চলচ্চিত্রের সংকটকাল কেটে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

চলচ্চিত্রের সংকটকাল কেটে গেছে: তথ্যমন্ত্রী
চলচ্চিত্রের সংকটকাল কেটে গেছে: তথ্যমন্ত্রী - ছবি: প্রতিবেদক।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৫ অক্টোবর ২০১৯, ২০:৪১

দেশের চলচ্চিত্রের সংকটকাল কেটে গেছে, এখন উত্তরণ ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। তিনি বলেন, সরকার দেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) আগের মতো অনিয়ম চলবে না।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের ২ নম্বর গেটস্থ ফিনলে স্কয়ারে সিলভার স্ক্রিন সিনেপ্লেক্সে ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্প এবং বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

দেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নের নানা তথ্য উপস্থাপন করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আগে একটি সিনেমা নির্মাণের জন্য ৬০ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হতো। এখন শর্ত সাপেক্ষে সেটি ৭৫ লাখ টাকা করার চেষ্টা হচ্ছে। এছাড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রেক্ষাগৃহ খোলার বিষয়ে যদি মালিকরা উদ্যোগ নেন, সেই ক্ষেত্রে তারা যাতে সহজ শর্তে ঋণ পান, সেই দিকটিও ভাবা হচ্ছে।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের চলচ্চিত্রের সংকটকাল কেটে গেছে, এখন উত্তরণ ঘটছে। এর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নতুন প্রেক্ষাগৃহ খোলার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক ম রমিজউদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক প্রথম আলোর বার্তা সম্পাদক ওমর কায়সার, আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ আশিক রহমান। দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশের সহযোগী সম্পাদক কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পত্রিকাটির সম্পাদক রুশো মাহমুদ।

সেমিনারে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় সিনেমা হল পরিচালনা করা লাভজনক ছিল। এখন অনেকগুলো হল বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ হল পরিচালনা করে তেমন আয় হয় না। এখন হলের জায়গায় মার্কেট করে দিলে, এমনকি গুদাম করে দিলে সেটা লাভজনক।

তিনি বলেন, সিনেমায় কেন পুঁজি বিনিয়োগ হচ্ছে না? এর কারণ হচ্ছে পুঁজি উঠে আসছে না। হল না থাকায় দর্শক পাচ্ছে না। এ থেকে উত্তরণের জন্য সরকার অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন থেকে বাণিজ্যিক ছবিতেও অনুদান দেবো এবং সেগুলো অবশ্যই হলে মুক্তি দিতে হবে। কিছু আর্ট চলচ্চিত্রেও অনুদান দিতে হবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, একটা বড় মার্কেট করতে গেলে সেখানে যেন সিনেপ্লেক্সের জন্য কিছু জায়গা রাখা হয়। এই জায়গাটি রাখলে মার্কেটটি করার অনুমোদন পাওয়া যাবে; এই ধরনের শর্ত না দিলেও পরামর্শমূলকভাবে এটি থাকা প্রয়োজন। তাহলে বিনোদনের একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads





Loading...