নেতাকর্মীদের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ জুলাই ২০১৯, ২১:০৫

সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীদের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শুক্রবার গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা রয়েছে।

তিনি বলেন, যত বাধাই আসুক, উন্নয়নের স্বীকৃতি ধরে রাখতে হলে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক শক্তি নিতে এগিয়ে যেতে হবে।

‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতা’ অব্যাহত রাখার জন্য আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনমত যেন পক্ষে থাকে সেদিকে নজর দিতে নেতাদের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে দেশকে কোথায় নিয়ে যাব সে পরিকল্পনাও আছে এবং সেটা ইতোমধ্যেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই প্রস্তুতিটা আমাদের নিতে হবে। সেই পথগুলি আমাদের ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে হবে। বাধাগুলি অতিক্রম করতে হবে।

তার জন্য সব থেকে বেশি প্রয়োজন সাংগঠনিকভাবে আমাদের দলকে যেমন শক্তিশালী করা, তেমনি জনমত সৃষ্টি করা।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, পাশাপাশি চিন্তা-চেতনাগুলিকে সমন্বয় করে প্রতি পদক্ষেপে আমরা যেন সুষ্ঠুভাবে পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারি, যা আমাদের চলার পথে যত বাধাই আসুক অতিক্রম করে আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

গত ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ জোট। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার মর্যাদা পেয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

এসব অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে আমরা যে জায়গাটায় এসেছি, আমাদের কিন্তু রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের একটা চিন্তাভাবনা ছিল। পরিকল্পনা ছিল। আমরা সরকারে গিয়ে কী করব, সেগুলো মোটামুটি একটা তৈরি করা ছিল বলেই কিন্তু আমরা সরকারে আসার পরপরই কাজগুলো করতে পেরেছি।

জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে রেখে গিয়েছেন। আমরা তারই পথ ধরে এগিয়ে গিয়ে আজকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের চলার পথ কিন্তু খুব সহজ ছিল তা না। প্রতি পদে পদে বাধা। অগ্নিসন্ত্রাস, খুন, নির্যাতন অনেক কিছু সহ্য করতে হয়েছে। তারপরেও আমরা কিন্তু এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি।

আমরা যে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি সেটা ধরে রাখা। আর রাজনৈতিক শক্তিটা খুব বেশি প্রয়োজন, সংগঠন প্রয়োজন, জনগণের সমর্থন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমরা আরও সামনে যেতে চাই। আমরা বাংলাদেশটাকে দক্ষিণ এশিয়ায় একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়তে চাই। আমাদের উন্নয়নের ধারাটা অব্যাহত রেখেছি। এই বছরে কিন্তু কখনো আমরা হোঁচট খাইনি বা পিছিয়ে যাইনি। আবার হঠাৎ করে কিন্তু আমরা লাফ দেইনি। আমরা খুব স্থিরভাবে ধাপে ধাপে এগিয়ে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছি। একটা নিয়মের মধ্য দিয়ে লক্ষ্য স্থির করে কাজগুলো যে করা সম্ভব সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads




Loading...