অর্থমন্ত্রীর সামনে নানা চ্যালেঞ্জ


poisha bazar

  • আসাদ জোবায়ের
  • ১৩ জুন ২০১৯, ০৯:২৫,  আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯, ১২:৪২

সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার শেষ বছর শুরু হতে যাচ্ছে আগামী জুলাইয়ে। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগসহ পিছিয়ে থাকা সূচকগুলো অর্জন করতে হবে এই এক বছরেই। অন্যদিকে নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং এসডিজি অর্জনে নিতে হবে নানা উদ্যোগ। আবার চাষীরা ধানের দাম না পাওয়ায় ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়ার আশঙ্কা আছে। রয়েছে পাটকল শ্রমিকদের দেনাপাওনা মেটাতে বড় ভর্তুকির চাপ। কর আহরণে ব্যর্থতা থাকলেও ব্যবসায়ীদের করছাড় ও নগদ সহায়তা পাওয়ার দাবিও উপেক্ষা করার মতো নয়।

অন্যদিকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার প্রক্ষেপণ করছে আন্তর্জাতিক মিডিয়া। এমনই এক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি তার প্রথম বাজেট। এই বাজেটের মাধ্যমেই মূলত মুহিতের পরে কামাল যুগ শুরু হচ্ছে। আগের বছরগুলোর মতোই একটি নির্দিষ্ট প্রবৃদ্ধি ধরে গতানুগতিক কাঠামোতেই এবারো বিশাল বাজেট দিতে যাচ্ছেন তিনি। এ বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে ৮.২ শতাংশ।

এই বাজেট বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হচ্ছে বড় এক সংস্কার পদক্ষেপ। এটি বাস্তবায়নে বাজেটে থাকছে বিভিন্ন উদ্যোগ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া সব ধরনের পণ্য ও সেবা আসছে ভ্যাটের আওতায়। এতে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা বাড়লেও কর আহরণে বড় অর্জন হবে বলে আশা করছে সরকার। এছাড়া প্রত্যক্ষ করের উৎস বাড়াতেও নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। তবুও শেষ পর্যন্ত বড় ঘাটতি মেনে নিয়েই বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। এই ঘাটতি আবার পূরণের টার্গেট ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নিয়ে। যদিও ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিলে বেসরকারি বিনিয়োগে ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনিতেই ব্যাংকে তারল্য সংকট এই মুহূর্তে প্রকট।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে যাচ্ছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছর বাজেটের আকার চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। সে হিসেবে আসন্ন অর্থবছরে বাজেটের আকার বাড়ছে ৫৮ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা। সম্ভাব্য বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা; যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ২০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা বেশি। বাজেটের এই ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎসের ঋণই মূল ভরসা। এ ঋণ ব্যাংকিং খাত ও সঞ্চয়পত্র থেকে নেয়া হবে। এছাড়া নতুন বাজেটে সম্ভাব্য মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা (জিডিপির ১৩.১ শতাংশ)। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) খাতে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৬ দশমিক ৮ শতাংশ) ধরা হয়েছে।

আসন্ন বাজেটে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও মূল্যস্ফীতির চাপ ৫.৫ শতাংশে আটকে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবার বাজেট ঘোষণার আগে চমকের কথা বলা হলেও নতুন বাজেট, পুরনো কাঠামো হওয়ায় বাজেট প্রস্তাবের পর কোনো চমক দেখা যায় না। দেশে এমনিতে অর্থনীতির আকার বাড়ছে। বাজেটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সম্পদের পুনর্বণ্টন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয় বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি। এই লক্ষ্য পূরণে প্রতি অর্থবছরে বাজেটের আকার বাড়ছে। কিন্তু কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তাই বলা যায় আসছে বাজেটও হবে গতানুগতিক একটি বাজেট।

জিডিপি আকার: আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হচ্ছে ২৮ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি বাজেটের তুলনায় ২ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বেশি। চলতি অর্থবছরে জিডিপির আকার ধরা হয় ২৫ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। আর জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হচ্ছে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জিডিপি ৭.৮ শতাংশ ধরা হলেও ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ ৫.৫ শতাংশে আটকে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এডিপি আকার: আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এক লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা খরচের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মূল এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সেই তুলনায় নতুন অর্থবছরের এডিপির আকার বাড়ছে ১৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। নতুন এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১ হাজার ৫৬৪টি। গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে পরিবহন খাতে।

বাড়ছে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা: ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান। চলতি অর্থবছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। সে হিসেবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। যেখানে কর রাজস্ব ৩ লাখ ৪০ হাজার ১শ কোটি, করবহির্ভূত রাজস্ব ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ৭শ’ ১০ কোটি টাকা। আসছে বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত করের পরিমাণ ধরা হচ্ছে তিন লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত করের পরিমাণ ধরা হচ্ছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক অনুদান ধরা হচ্ছে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা।

বাজেটের ব্যয়: আসছে বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে তিন লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে দুই লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার দুই লাখ দুই হাজার ৭২১ কোটি টাকা। এরই মধ্যে এডিপি অনুমোদন করা হয়েছে।

বাড়ছে বাজেটের ঘাটতি: বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের থেকে ২০ হাজার ৮৭ কোটি টাকা বেশি। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের ঘাটতি ছিল এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। বাজেটে ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হতে পারে। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এর পরিমাণ ৫০ হাজার ১৬ কোটি টাকা। এছাড়া অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিট ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা নেয়া হবে। চলতি অর্থবছরে এর পরিমাণ ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এর পরিমাণ ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা) এবং সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এর পরিমাণ ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা) নেয়া হতে পারে। এছাড়া অন্যান্য খাত থেকে নেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে তিন হাজার কোটি টাকা। এটি চলতি অর্থবছরে একই পরিমাণ রয়েছে।

বাড়ছে ভর্তুকি: আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও ঋণ খাতে বরাদ্দ বাড়ছে। এসব খাতে চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বরাদ্দ ছিল ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এ বরাদ্দ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা বেড়ে হচ্ছে ৫০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। যা পদ্মাসেতুর মোট ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ। এর মধ্যে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি থাকছে ৩২ হাজার ১০০ কোটি টাকা, প্রণোদনা ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, নগদ ঋণ সহায়তা থাকছে ৫ হাজার কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়লেও প্রণোদনা ও নগদ ঋণে বরাদ্দ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বাড়ছে না করমুক্ত আয়ের সীমা: পেশাজীবী-ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সব মহলের দাবির পরও আসছে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হচ্ছে না। অর্থাৎ আগামী অর্থবছরেও আড়াই লাখ টাকা

বেশি বার্ষিক আয় হলে আয়কর দিতে হবে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের পর থেকে ব্যক্তি-শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হয়নি, আড়াই লাখ টাকাই রয়েছে। এর আগে প্রায় প্রতিবছরই এই সীমা বাড়ানো হয়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ২ লাখ এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ভ্যাট আইন কার্যকর: আগামী ১ জুলাই থেকে বহুল আলোচিত ভ্যাট আইন কার্যকর করা হবে। এটি কার্যকর হলে আগামী বছর রাজস্ব আয়ে গতি আসবে। এজন্য ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে পুরনো আইনের আদলেই নতুন মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আইন হচ্ছে। পুরনো আইনের সাতটি হারের পরিবর্তে নতুন আইনে সব মিলিয়ে পাঁচটি ভ্যাট হার হচ্ছে। এই হারগুলো হলো-পণ্য বা সেবা আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ, উৎপাদনে ১০ শতাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ, খুচরায় ৫ শতাংশ এবং পণ্য বা সেবায় ট্যারিফ মূল্যে ২ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ হবে। এছাড়া ১ হাজার ৯৮৩টি পণ্যে মূসক অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে।

মেগা প্রকল্পে বাড়ছে বরাদ্দ: উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়া বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে বড় অবকাঠামো প্রকল্পে হাত খুলে অর্থ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে নতুন করে বরাদ্দ পাচ্ছে ৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্পে এক হাজার ৩৫০ কোটি টাকা, গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পে (বিআরটিএ) ৪৫৬ কোটি টাকা, ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের (লাইন-৬) ৭ হাজার ২১২ কোটি টাকা, ঢাকা শহরের সাবওয়ে (আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো) নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা প্রকল্পে প্রায় ৮২ কোটি টাকা, ‘সাপোর্ট টু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি’ প্রকল্পে ১ হাজার ৩৮ কোটি টাকা, ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (লাইন-১) প্রকল্পে ১৬৮ কোটি টাকা, তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এছাড়া গত কয়েক বছর ধরে ব্যাংকিং খাত, পুঁজিবাজার, সঞ্চয়পত্রে সংস্কারের প্রস্তাব করা হলেও প্রতিবারই কিছু পরিবর্তন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারো কিছু পরিবর্তন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো উদ্যোগ থাকবে বেকারদের জন্য ঋণ তহবিল (স্ট্যাট আপ ফান্ড)। এ তহবিল থেকে স্বল্পসুদে সহজ শর্তে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন বেকাররা। কৃষকের জন্য ‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে চালু করা হবে শস্যবীমা।

নতুন উদ্যোগের মধ্যে থাকছে প্রবাসীদের জন্য বীমা সুবিধা। সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসন্ন বাজেটে উপকারভোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ বাড়িয়ে ৮৭ লাখে উন্নীত করা হবে। আসছে বাজেটে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ২ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা করা হচ্ছে। দেশের দরিদ্র ১৫ হাজার ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোক ও প্যারালাইসিসে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সুবিধা দ্বিগুণ করা হচ্ছে। বরাদ্দ বাড়ানো হবে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে। এছাড়া বাজেটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী পালনের প্রতিফলন থাকবে।

মানবকণ্ঠ/এএম

 




Loading...
ads




Loading...