সাংবাদিক হত্যার বিচার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি


poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০২ মার্চ ২০২১, ২১:২০,  আপডেট: ০২ মার্চ ২০২১, ২১:২১

নোয়াখালির কোম্পানিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মোজাক্কির হত্যার বিচার দাবি, ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন এবং এর অপপ্রয়োগ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার বিকেলে ৩টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা চত্বরে এ মানববন্ধন করেন তারা। তিন দফা দাবি জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন মাঠের সাংবাদিকরা।

মানববন্ধনে ‘মোজাক্কির হত্যার দ্রুত বিচার চাই, প্রেসক্লাবে গুলি কেন জবাব চাই, প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সমাবেশ নিষিদ্ধ হোক, সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ হোক, মোজাক্কিরকে মারল কে, প্রশাসন জবাব চাই’সহ নানা ধরনের প্লাকাড হাতে নিয়ে অংশ নেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা। এ সময় সাংবাদিক হত্যায় বিচারহীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগকে একযোগে ‘না’ লিখে প্রতিবাদ জানানো হয়।

মানববন্ধনে পেশ করা তিনদফা দাবিগুলো হলো-নোয়াখালির সাংবাদিক মুজাক্কির রহস্য দ্রুত উন্মোচন করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের ব্যবস্থা করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারাগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে সেগুলো দ্রুত কমিটি করে সংশোধনের ব্যবস্থা করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয়রানি এবং এর অপপ্রয়োগ নিয়ে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সাংবাদিক নেতা আক্তার হোসেন বলেন, স্বাধীনভাবে লেখা বা বলার অধিকার সাংবাদিকদের থাকলেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যেন তাঁদের অন্তরে, আত্মায়, চিন্তায় ও মস্তিষ্কে একটি ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে। সুতরাং একটি ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই ভীতি দূর করতে হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করতে হবে।

এসময় তিনি সাংবাদিক মোজাক্কির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।

এরপর তিন দফা দাবি পেশ করেন সাংবাদিক দীপন দেওয়ান।

তিনি বলেন, আমাদের তিন দফা দাবি যদি সরকার অবিলম্বে না মেনে নেয়, তাহলে আমরা আজকের কর্মসূচি থেকে বলতে চাই; আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।

সমাপনী বক্তব্যে সাংবাদিক নাদিয়া শারমিন বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার জায়গাটি যখন বাধাগ্রস্ত হবে তখন সমাজে গুজব ও অনিয়ম ছড়াবে, সমাজের দর্পণ অর্থাৎ সাংবাদিকতা সমাজের পরিষ্কার প্রতিছবি দেখাবে না। সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সাংবাদিকতা ও স্বাধীন মত প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads
ads