করোনায় ঈদে স্বাস্থ্য সচেতনতা


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২১ জুলাই ২০২১, ১০:৪৩

প্রতিবারের ঈদের চেয়ে এবারের ঈদ একেবারেই আলাদা। নিজের ও পরিবারের সুস্থতা ও সুরক্ষার জন্য সংযমের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের অনেক কিছু মাথায় রেখে কোরবানি সুষ্ঠুভাবে পালন করতে হবে।

এ সময় ঈদ উদযাপনের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক না থাকলে, চারদিকে করোনা বিস্তার দ্রুতগতিতে বেড়ে যাবে। সে জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং পাশাপাশি খাদ্য তালিকা কেমন খাবার থাকবে, সে বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান ও সাবধানতা প্রয়োজন।

বিশেষ করে যেসব বিষয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রয়োজন। তা হচ্ছে- যে জায়গায় কোরবানি দেয়া হবে সে জায়গায় কোরবানির আগে ও পরে জীবাণুনাশক ছড়িয়ে নিতে হবে। কোরবানির কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অবশ্যই মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস ও পায়ে রাবারের জুতা পরে সেগুলো জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে এবং উপস্থিত সবাই নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলবেন।

মাংস কাটার ও রাখার যন্ত্রপাতি ও পাত্র ব্যবহারের আগে ও পরে যথাসম্ভব গরম পানি ও জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। বাসায় মাংস আনার পর নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি মাংস বণ্টন ও রান্নার কাজে যুক্ত হবেন এবং কাজ শেষে নিজেদের শরীর জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

বাসায় আনার পর দ্রুত মাংস সংরক্ষণ করতে হবে এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কোরবানির বর্জ্যগুলো নির্দিষ্ট জায়গা ফেলতে হবে এবং সেক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।

খাদ্যবিষয়ক সচেতনতা: দৃশ্যমান জমানো চর্বি বাদ দিয়ে রান্না করতে হবে। কম তেলে রান্না করতে হবে। রান্নার আগে সম্ভব হলে মাংস ৫-১০ মিনিট সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিলে চর্বির অংশ অনেকটা কমে যায়। মাংস রান্নার সময় উচ্চ তাপে রান্না করতে হবে।

মাংস রান্নার সময় ভিনেগার, টকদই, পেঁপে বাটা ও লেবুর রস ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন এতে চর্বির ক্ষতিকর প্রভাব কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব। যাদের উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা আছে বা কো-মরবিডিটি আছে তারা একেবারেই না এড়াতে পারলে, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে দু-এক টুকরো খেতে পারেন।

সেক্ষেত্রে মাংস রান্নায় সবজি ব্যবহার করতে হবে যেমন কাঁচা পেঁপে, লাউ, চালকুমড়া, টমেটো কিংবা মাশরুম, কিংবা তারা মাংসের সঙ্গে সবজি মিশিয়ে কাটলেট বা চপ করে খেতে পারেন। একবারে ভুঁড়ি ভোজ না করে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া উচিত।

আমরা কোরবানির সময় একবারে বেশি মাংস রান্না করে সেটা বারবার জ্বালিয়ে ঝুরি করে খেতে অনেকেই পছন্দ করি, কিন্তু স্বাস্থ্যগত দিক থেকে সুস্থ থাকতে হলে এটি এড়িয়ে চলতে হবে। প্রত্যেক বেলায় মাংসের তিন/চার পদ না রেখে একবার একবার একটি একটি করে পদ নির্বাচন করুন।

গুরুপাক খাবারের সঙ্গে শসা, লেবু, টমেটো ইত্যাদির সালাদ রাখা যেতে পারে। তিনবেলা ভারি খাবার না খেয়ে যে কোনো একবেলা হালকা খাবার যেমন সবজির স্যুপ, সবজি ও রুটি রাখতে পারেন।



poisha bazar

ads
ads