গান শোনার উপকারিতা

মানবকণ্ঠ
ছবি - সংগৃহীত।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫:৩১

দুপুরের পর কাজের চাপ আর ক্লান্তিতে নিস্তেজ হয়ে পড়েন অনেকেই। ঘুমে বুজে আসতে চায় যেন।এই ক্লান্তিভাব কাটাতে সাহায্য নিতে পারেন গানের। পছন্দের একটা গান চালিয়ে দিন, গানের কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন। গানের মাঝে এমনই সব যাদু আছে যা মনের নেতিবাচক অবস্থাকে কাটিয়ে আপনাকে শান্তি দিতে পারে। দেশি-বিদেশি অনেক গবেষণাও এমনটাই বলেছে।

জেনে নিন কীভাবে গান আপনাকে প্রশান্তি দিতে পারে-

গবেষণা মতে, গান শোনার সময় মানুষের মস্তিষ্ক থেকে ডোমাপিন ক্ষরিত হয়, এটি স্নায়ুর মধ্যে সুখানুভূতি তৈরি করে। এছাড়া সুর মানসিক চাপ কমায় এবং স্বাস্থ্য উন্নত করে।

সঙ্গীত এবং সুর মানুষের ভেতর থেকে মানবিকতা বের করে। সকল সংস্কৃতির মানুষের মধ্যেই রয়েছে সুরের মেলা, যখন কেউ গান শোনে তখন অজান্তেই তার মধ্যে ছন্দ তৈরি হয়।

এটা প্রমাণিত যে, গান শুনতে শুনতে দ্রুত হাঁটা যায়, দৌঁড়ানো যায়, দ্রুত কাজ করা যায়। এমনকি অফিসে কাজের ফাঁকে গান শুনলে স্ট্রেস হুট করে নেমে যায়। পড়তে পড়তে মাথা জ্যাম হয়ে গেলে গান শুনে নিলে যথেষ্ট চাঙা লাগে।

গান আপনাকে ভালো ঘুম দিতে পারে। অনেকে বলেন, সঙ্গীত প্রতিদিন মনে জমা হওয়া ধুলোময়লা দূর করে। ঘুমাতে যাওয়ার ত্রিশ থেকে পয়তাল্লিশ মিনিট আগে যারা সুন্দর গান শুনে ঘুমোতে যায় তাদের ভালো ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ধ্রুপদী সঙ্গীত মানুষের বিষন্নতা কাটিয়ে ঘুমাতে সহায়তা করে।

আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে চাইলে নিয়মিত গান শুনুন। ইউরোপের কিছু গবেষকের মতে, গান শোনার মাধ্যমে আপনার মন ভালো থাকবে। ফলে আপনার দেহে এক ধরনের বায়োলজিকাল পরিবর্তনের মাধ্যমে রক্তের প্রবাহ সঠিক নিয়মে হবে। এতে আপনার হার্ট সুস্থ থাকবে।

তবে ঘন্টার পর ঘন্টা কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনবে না। আর হাই বিটেতো একদমই না। এমনভাবে গান শুনুন যাতে আশেপাশের মানুষের জন্য সেটা সমস্যার কারণ না হয়। রাস্তা পারাপারের সময়েও কানে হেডফোন গুজে রাখবেন না। এতে দুর্ঘটনার মুখে পড়তে পারেন।




Loading...
ads






Loading...