এক লটারিতেই আস্ত একটা দ্বীপ!


poisha bazar

  • মানবকণ্ঠ ডেস্ক
  • ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:১৫

ব্রেন্ডন লোপেস। ভারতীয় বংশোদ্ভূত পর্তুগিজ নাগরিক। কিন্তু কাজের সূত্রে থাকেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। সঙ্গে থাকেন বাবা-মাও। বহুদিন ধরে ভাড়া বাসায় বাস করলেও কখনো বাড়ি কেনার চিন্তাও করতে পারেননি। তিনিই জিতে নিয়েছেন আস্ত একটা দ্বীপ। এক লটারিতেই রাতারাতি বনে গেছেন ‘জমিদার’।

২৭ বছর বয়সী লোপেস পেশায় একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ডিজে। সম্প্রতি এমিরেটস এনবিডির ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্যাংকের ‘উইন এ প্রাইভেট ল্যান্ড’ শীর্ষক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে পান দ্বীপটি। আয়তন প্রায় পাঁচটি ফুটবল মাঠের সমান। এটা কানাডার নোভা স্কোটিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। পাশাপাশি এক লাখ আমিরাতি দিরহাম পুরস্কার পেয়েছেন। বর্তমানে এই দ্বীপের বাজার মূল্য ৫০ হাজার থেকে এক লাখ মার্কিন ডলার। খালিজ টাইমসকে ব্রেন্ডন লোপেস বলেন, আমার নিজস্ব কোনো বাড়ি নেই। এটা নিয়ে আমি কখনো ভাবিওনি। এখনো আমি বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করছি। কিন্তু বর্তমানে আমি পুরো একটি দ্বীপের মালিক। এটা অবিশ্বাস্য। পুরস্কার পাওয়া অর্থ দিয়ে কি করবেন তা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি এক লাখ আমিরাতি দিরহাম জয়ের পর আমার মাথায় প্রথম চিন্তা, এই অর্থ দিয়ে আমি আত্মীয়স্বজনদের সহায়তা করব।

কিন্তু দ্বীপের ব্যাপারে এখনো আমি নিশ্চিত নই কী করব। আমার বয়স মাত্র ২৭ বছর। আমার বয়সী মানুষরা এ রকম একটি পুরো দ্বীপ পেলে কী করবে সেটিও আমার জানা নেই। আমার জীবনের বেশিরভাগ সময়ে নিজের জন্য একটি পুরো কক্ষ কখনো পাইনি। লোপেস এখন দ্বীপটি একনজর দেখার জন্য কানাডার নোভা স্কোটিয়া ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। দ্বীপটি দেখার পর আসলে কী করবেন সে ব্যাপারে সদ্ধিান্ত নেবেন তিনি। চলতি বছরের এপ্রিলে আমিরাতের ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্যাংক এমিরেটস এনবিডি লিভের সহায়তায় একটি ক্যাম্পেইন শুরু করে।

এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে লিভের ব্যবহারকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ লিভিয়ন পয়েন্টধারীদের প্রত্যেক মাসে বাছাই করা হয়। এ ছাড়াও বিক্ষপ্তিভাবে আরো ১৫ জনকে চ‚ড়ান্ত পর্বের জন্য বাছাই করে কর্তৃপক্ষ। পরে ২০ প্রতিযোগীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় চ‚ড়ান্ত পর্ব। এই পর্বে সবাইকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ভারতীয় বংশোদ্ভ‚ত ওই প্রবাসী।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads





Loading...