আমেরিকায়ও ‘স্যাটায়ার’ এতো নগ্নভাবে করা হয় না: প্রধান বিচারপতি

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৭ মার্চ ২০২১, ২০:৩৮

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, সবার আগে দেশের ইমেজ। লিখুন, কিন্তু এ রকমভাবে কিছু করবেন না, যা একজন শিক্ষিত মানুষের শোভা পায় না। ’

রোববার (৭ মার্চ) ফেসবুকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ লেখার কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিলেটের গোলাম সারোয়ারের জামিন আবেদনের ওপর আপিল বিভাগের শুনানিতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চে এ শুনানি হয়।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আমেরিকায়ও স্যাটায়ার (ব্যঙ্গাত্মক রচনা) লেখা হয়। কিন্তু আমাদের দেশের মতো এতো নগ্নভাবে করা হয় না। আমাদের এখানে যেসব ভাষা ব্যবহার করা হয়, তা কীভাবে একজন শিক্ষিত লোক লিখে থাকেন? তাহলে শিক্ষার মর্যাদা কোথায় রইল! বেশ কয়েকটি মামলায় এ ধরনের ভাষা আমরা ব্যবহার করতে দেখেছি।

আদালত ওই আসামির জামিন বহাল রেখে আদেশ দেন। ভবিষ্যতে আর যাতে এ ধরনের মন্তব্য না করেন সেজন্য আইনজীবীর মাধ্যমে তাকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।

শুনানিতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. আসাদুজ্জামান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে কটূক্তি করে বিভিন্ন নেতিবাচক পোস্ট, ছবি বিকৃত করে পোস্ট ও ব্যঙ্গাত্মক লেখা লিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার অভিযোগে ২০২০ সালের ১৪ মার্চ গোলাম সারোয়ারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ১৫ মার্চ সিলেটের শহাপরান থানায় গোলাম সারোয়ারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। এ মামলায় ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বারজজ বিচারপতির আদালতে আবেদন করলে গত বছর ১৮ অক্টোবর হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করে দেয়া হয়। এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পাশাপাশি আসামির জামিন বহাল রাখার আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। রোববার এ আবেদনের ওপর শুনানি হয়।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads
ads