বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

- প্রতীকী ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৩:৩৩

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যাকাণ্ডে ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই মামলায় একজনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহম্মেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন। আর বেকসুর খালাস পেয়েছেন মামলার অন্য আসামি শম্পা।

এছাড়া আরেকটি ধারায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের জেল দেয়া হয়েছে।

এর আগে সকাল ৮ টার দিকে কারাগারে আটক তিন আসামি শম্পা, জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর আদালত হাজির করা হয়। এ সময় তাদের কারাগারের গারদে রাখা হয়।

এদিকে জামিনে গিয়ে অপর পাঁচ আসামি পলাতক থাকায় আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন-গুলজার হোসেন, আসিফ, শিহাব আহম্মেদ ওরফে শিবু, তাজুল ইসলাম তানু ও রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন। এ মামলায় আসামি আসিফ ও শম্পা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন কোন্ডা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের মরদেহ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আসামিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী (বর্তমান কোন্ডা ইউপির চেয়ারম্যান) বাদী হয়ে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এরপর একই বছরের ২ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

এরপর গত ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এ মামলা চলাকালীন বিভিন্ন সময় মোট ২১ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads