যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড, চূড়ান্ত রায়

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৪৯,  আপডেট: ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫১

যাবজ্জীবন সাজা মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড রেখেই আপিল বিভাগ চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছেন। তবে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আদালত চাইলে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন।

মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল এ রায় ঘোষণা করেন।

ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্ত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আর আসামি পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর যাবজ্জীবন সাজা মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড বলে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউর রায় ঘোষণার জন্য ১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।

গত বছরের ১১ জুলাই রিভিউ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। বিষয়টি আজ আবার আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ওঠে।

একটি হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে ২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। তাঁদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। শুনানি নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। তারা হলেন আতাউর মৃধা ওরফে আতাউর ও আনোয়ার হোসেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামীরা আপিল বিভাগে আপিল করেন।

২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেয়া রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস বলে সাত দফা অভিমত দেন। তবে আপিল বিভাগের দেওয়া এই রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করে আসামি আতাউর মৃধা।

বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে,"সাজার মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ত্রিশ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডের সমান বলে গণনা করা হবে।" অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছর কারাদণ্ড। আবার জেল কোড অনুযায়ী কারাগারে ৯ (নয়) মাসে এক বছর ধরা হয়। এ ছাড়া আইজি প্রিজনেরও সাজা কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। এই হিসেবে সব মিলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ২০ থেকে ২২ বছর হতে পারে। তাছাড়া ২০১৩ সালের আপিল বিভাগের একটি রায়ও রয়েছে, যেখানে যাবজ্জীবন সাড়ে ২২ বছর বলা হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads