অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড : সাক্ষ্য দিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক

মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায়
মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায় - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৫ নভেম্বর ২০২০, ২০:৫৫

মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. সোহেল মাহমুদ। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যপক।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মামলায় ৩৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হলো।

আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলায় গত বছর ১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে ট্রাইব্যুনাল। চলতি বছর ১৩ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ ইন্সপেক্টর মুহাম্মাদ মনিরুল ইসলাম ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০৯ সালের সন্ত্রাস বিরোধী আইনের (সংশোধনী ২০১৩) ৬ (১)(ক)(অ)/৬(২)/৮/৯/১০/১২/১৩ ধারায় এ চার্জশিট দাখিল করা হয়। যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

চার্জশিটে বলা হয়, ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করে অপপ্রচার ও মহানবীকে (সা.) নিয়ে কুটক্তি করায় মেজর জিয়ার নির্দেশ ও পরিকল্পনা এবং শারীরিক প্রশিক্ষক সেলিমের উপস্থিতিতে আনসার আল ইসলামের সদস্যরা অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করেন। হত্যার দুদিন আগে থেকে জঙ্গি সায়মন, সোহেল, আকরাম ও হাসান অভিজিৎ রায়ের গতিবিধি অনুসরণ করেন। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে আরাফাত, খলিল ওরফে আলী, অন্তু ও অনিক হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। হত্যাকাণ্ডের সময় মেজর জিয়া, শরীরচর্চা প্রশিক্ষক সেলিমসহ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখেন। যাতে তাদের সহযোগীদের কেউ আটক করতে না পারে। তারা ঘটনাস্থলে হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি ফেলে পালিয়ে যান।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির কাছে দুর্বৃত্তরা অভিজিৎ রায়কে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা এবং তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ ওরফে বন্যাকে গুরুতর আহত করেন। তারা দুজনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অভিজিৎ যুক্তরাষ্ট্রে সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং বন্যা চিকিৎসক ছিলেন।

২৭ ফেব্রুয়ারি অভিজিতের বাবা শিক্ষাবিদ অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম। মামলায় ৩৪ জনকে সাক্ষী করা হয়।

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads