এএসপি হত্যা: ফাতেমা ও মামুন কারাগারে

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০ নভেম্বর ২০২০, ১৭:১৬

রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারধর করে এএসপি আনিসুল করিম শিপন হত্যা মামলায় হাসপাতালটির পরিচালক ফাতেমা খাতুন ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ফারুক মোল্লা আসামিদের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৫ নভেম্বর ফাতেমা খাতুনের চারদিন এবং ১৭ নভেম্বর ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ৯ নভেম্বর ঢাকার আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে মানসিক রোগের চিকিৎসা নিতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়ে মারা যান এএসপি আনিসুল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, আনিসুল উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় কর্মচারীরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন।

তবে ঘটনার পর হাসপাতালের ‘অ্যাগ্রেসিভ ম্যানেজমেন্ট রুমে’ আনিসুলকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, আনিসুলকে ৬ থেকে ৭ জন মাটিতে ফেলে চেপে ধরে আছেন, দুজন তকে কনুই দিয়ে আঘাত করছিলেন। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদও তখন পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

উপ-কমিশনার হারুন পরদিন সাংবাদিকদের বলেন, ৮-৯ জন লোক মিলে আনিসুলকে এলোপাতাড়ি মারধর করন। তারা সবাই হাসপাতালের ওয়ার্ডবয়, ক্লিনার।

আনিসুলের মৃত্যুর পর তার বাবা ফাইজ্জুদ্দিন আহমেদ মোট ১৫ জনকে আসামি করে আদাবর থানায় হত্যা মামলা করেন।

৩১তম বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান আনিসুল করিম। সর্বশেষ তিনি বরিশাল মহানগর পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। তিনি এক সন্তানের জনক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads