রোগীপ্রতি ৩০-৫০ হাজার টাকা কমিশন নিতেন ডা.মামুন


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৯ নভেম্বর ২০২০, ০৯:৫২

২০১৯ সালের জুলাইয়ে রাজধানীর আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন থেকেই অবৈধ এই হাসপাতালের সঙ্গে কমিশন নিয়ে কাজ করতেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন।

সর্বশেষ সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিমসহ কমপক্ষে ২৫ জন রোগীকে ওই হাসপাতালে পাঠিয়েছেন ডা. মামুন। প্রতি রোগী থেকে গড়ে কমিশন বাবদ ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি। দুই দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনে তিনি এসব তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা। গত মঙ্গলবার এএসপি আনিসুল করিম শিপনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেদিনই তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়।

তেজগাঁও বিভাগ পুলিশ সূত্র বলছে, একটু উচ্চবিত্ত শ্রেণির রোগী আসলেই মাইন্ড এইডে পাঠিয়ে দিতেন ডা. মামুন। বিনিময়ে কমিশন পেতেন আবার রোগী চিকিৎসা করতে গিয়ে মোটা অঙ্কের ভিজিট নিতেন। মামুন মাইন্ড এইড হাসপাতাল ছাড়াও আদাবরের মাইন্ড ওয়েল হাসপাতাল এবং টাঙ্গাইলে ঢাকা ক্লিনিক নামের একটি হাসপাতালে তিনি রোগী দেখতেন।

তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ডিসি) মৃত্যুঞ্জয় দে সজল বলেন, ‘মাইন্ড এইডের অন্যতম পরিচালক মামলার ১১ নম্বর আসামি মুহাম্মদ নিয়াজ মোর্শেদের সঙ্গে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনের ভালো সখ্য ছিল। নিয়াজের মাধ্যমেই মামুন অবৈধ এই হাসপাতালের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, আনিসুলের ঘটনায় করা মামলায় আদালতে যারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ৯ নভেম্বর বেলা ১১টায় আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গিয়ে হাসপাতালটির কর্মচারীদের মারধরের পর আনিসুল করিম শিপন নিহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তিনি ৩১তম বিসিএস পুলিশে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। এই ঘটনায় নিহতের বাবা ফয়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।






ads