প্রস্তুত ১০ জল্লাদ

প্রস্তুত ১০ জল্লাদ

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ এপ্রিল ২০২০, ২২:০৪,  আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২০, ২২:০৭

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি ক্যাপ্টেন (বহিষ্কৃত) আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করতে জল্লাদ শাহজাহানের নেতৃত্বে মো. আবুল, তরিকুল ও সোহেলসহ ১০ জনের জল্লাদের একটি দল তৈরি করেছে ঢাকা জেল কর্তৃপক্ষ।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার মাহবুবুল ইসলাম।

সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবীর চৌধুরী বলেন, মাগরিবের নামাজের পর মাজেদের স্ত্রীসহ পরিবারের ৫ সদস্য তার সঙ্গে দেখা করে কারাগার ত্যাগ করেছেন।

সূত্র জানায়, সন্ধ্যা ৭টার কিছু সময় আগে তারা ভেতরে যান। এর আগে বিকেলে তারা জেল গেইটে আসেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের সদস্যরা দেখা করতে যান।

শুক্রবার রাতে আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হতে পারে এমন আলোচনা আছে কারা কর্তৃপক্ষসহ সরকারের বিভিন্ন মহলে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও অতিরিক্ত আইজি প্রিজন কর্নেল আবরার হোসেনকে একাধিক বার ফোন করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, আজ খুনি মাজেদের ফাঁসি হচ্ছে না। কাল বা পরশু তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর হতে পারে।

আদালতের নির্দেশে বুধবার দুপুরে কারা কর্তৃপক্ষ আসামিকে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ হেলাল চৌধুরীর আদালতে হাজির করেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটররা আসামি গ্রেফতার দেখানোসহ আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামি আব্দুল মাজেদকে গ্রেফতারসহ মৃত্যু পরোয়ানার আবেদন মঞ্জুর করেন। একইদিন সন্ধ্যায় কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন আব্দুল মাজেদ। কিন্তু আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। এতে তার দণ্ড কার্যকরে বাধা দূর হয়ে যায়।

দীর্ঘ দেড় যুগের বেশি সময় ভারতে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর এই আত্মস্বীকৃত খুনিকে মঙ্গলবার ভোরে মিরপুর সাড়ে ১১ থেকে গ্রেফতার করে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) একটি দল। গত মাসে দেশে ফিরে মাজেদ স্ত্রীর ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকার এক নম্বর রোডের ১০/এ বাড়িতে বসবাস করছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। ৩৪ বছর পর ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়। খুব ধীরে দীর্ঘ বারো বছরে নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে আইনের প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছতার সঙ্গে অতিক্রম করে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে স্বঘোষিত খুনিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়।

মানবকণ্ঠ/আরবি




Loading...
ads






Loading...