সচিবালয় এলাকায় হর্ন বাজালেই জেল

মানবকণ্ঠ
ছবি - সংগৃহীত।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:৫৩

বাংলাদেশ সচিবালয়ের আশেপাশে ঘোষিত ‘নীরব এলাকা’য় আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে যানবাহনের হর্ন বাজালেই জেল-জরিমানা হবে। সচিবালয়ের চারপাশ অর্থাৎ জিরো পয়েন্ট, পল্টন মোড়, সচিবালয় লিংক রোড হয়ে জিরো পয়েন্ট এলাকা নীরব জোন বা নো হর্ন জোন হিসাবে নির্ধারিত। এই এলাকায় হর্ন বাজালে এক মাসের কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন গাড়ির চালক।

বাংলাদেশ সরকারের প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী এই শাস্তি কার্যকর হতে যাচ্ছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে গত ২৫ নভেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে সচিবালয়ের চারপাশ ‘নীরব জোন’ হিসাবে কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়। শব্দ দূষণের মারাত্মক ক্ষতি থেকে রেহাই দিতে এ সিদ্ধান্ত হয়।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘নীরব জোন’ জিরো পয়েন্ট, পল্টন মোড়, সচিবালয় লিংক রোড হয়ে জিরো পয়েন্ট এলাকায় হর্ন বাজানো যাবে না। ‘নীরব জোন’ কার্যকর করতে রোববার (০৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে প্রণীত ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী ‘নীরব জোন’ বলতে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা একই জাতীয় অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান এবং এর চারিদিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা এলাকাকে বুঝায়।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, কেউ এই বিধান প্রথম লঙ্ঘণ করলে সর্বোচ্চ এক মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পরবর্তী অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব বিল্লাল হোসেন বলেন, নীরব জোনে হর্ন বাজালে বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা হবে। এজন্য মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য সংস্থা অভিযান পরিচালনা করবে।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, আমরা সব মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেবো, যাতে তাদের কর্মকর্তাদের গাড়ির চালকেরা সচিবালয়ের আশেপাশে হর্ন না বাজায়। এছাড়াও সচিবালয়ের ভেতরেও লিফলেট বিতরণ করা হবে।

‘নীরব জোন’ বাস্তবায়নে সচেতনতা সৃষ্টি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এ লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads






Loading...