লিটলম্যাগ চত্বরে ১৫৩ প্রকাশনী

লিটলম্যাগ চত্বরে ১৫৩ প্রকাশনী - মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • সেলিম আহমেদ
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:৪১,  আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০২:৪০

বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসের পাশে বহেরাতলা থেকে লিটলম্যাগ এবার এসেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মূল মেলা প্রাঙ্গণে। লেখক, কবি, নাট্যকর্মী ও লিটল ম্যাগকর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে এ বছরই প্রথম লিটলম্যাগ চত্বর স্থানান্তর করা হয়েছে। এতে খুশি সংশ্লিষ্টরা। নানা প্রতিক‚লতা পেরিয়ে প্রতিদিন বের হচ্ছে নতুন নতুন ম্যাগাজিন। লিটলম্যাগ চত্বরে স্থান পেয়েছে ১৫৩টি প্রকাশনী।

এসব প্রকাশনীকে ঘিরে প্রতিদিন বসে তরুণ লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের প্রাণবন্ত আড্ডা। বিকেল থেকে শুরু হয়ে সে আড্ডা চলে মেলার গেট বন্ধ হওয়া পর্যন্ত। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতেও এ আড্ডা জমজমাট হয়ে ওঠে। ২০১৩ সাল থেকে থিয়েটারবিষয়ক সাহিত্য পত্রিকা ‘ক্ষ্যাপা’সম্পাদনা করছেন পাভেল রহমান। ‘আর্থিক কারণে’ অনিয়মিত হলেও থিয়েটারবিষয়ক সাহিত্য পত্রিকাটি ইতোমধ্যে নাট্যাঙ্গনে নজর কেড়েছে। ছয় বছর পেরিয়ে এসে মাত্র প ম সংখ্যা প্রকাশিত হচ্ছে এবার। নাট্যব্যক্তিত্ব ও আরণ্যক নাট্যদলের প্রধান মামুনুর রশীদের জন্মদিন উপলক্ষে দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি প্রবন্ধ, নাট্য সমালোচনা ও নাটকের খবরাখবর দিয়ে সাজানো হয়েছে নতুন এ সংখ্যাটি। নিজের থিয়েটার পত্রিকা নিয়ে পাভেল রহমান বলেন, ‘বহেরাতলা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অংশে লিটলম্যাগ চত্বরকে যুক্ত করার ফলে এখন জায়গাটি প্রাণবন্ত হবে। তবে প্রচারণার অভাবে অনেকেই জানেন না যে লিটলম্যাগ চত্বরের জায়গা বদল হয়েছে। নতুন জায়গাটি খুঁজে পেতেও সময় লাগছে। আমার ধারণা, ধীরে সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে লিটলম্যাগ চত্বর। ইতোমধ্যে অনেকেই লিটলম্যাগ চত্বরে আসছেন এবং আড্ডা-গানে মুখরিত হয়ে উঠেছে লিটলম্যাগ চত্বর।

করাতকলের নির্বাহী সম্পাদক চারু পিন্টু বলেন, লিটলম্যাগকে ঘিরে লেখক, কবি ও পাঠকদের নিয়মিত আড্ডা হয়। অনেক লিটল ম্যাগ ইতোমধ্যে বের হয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে অন্যান্য লিটলম্যাগও চলে আসবে। সবও ম্যাগাজিন চলে এলে লিটল চত্বর আরো জমে উঠবে।

মেলায় বের হয়েছে নবীন কবি ও কথাসাহিত্যিক কামাল হোসেন টিপুর ষষ্ঠ উপন্যাস ‘তোমায় আমায় দেবে’। দারুণ রোমো ভরা এ উপন্যাসে একদিকে উঠে এসেছে সীমাহীন আবেগ। আর অন্যদিকে ফুটে উঠেছে মানবজীবনের রূঢ় বাস্তবতা। উপন্যাসটি প্রকাশ কলে অন্বেষা প্রকাশন। পাওয়া যাচ্ছে অন্বেষার ৩৩নং প্যাভিলিয়নে। বইটির পচ্ছদ করেছেন ধ্র্রুব এষ। কাজী নুসরাত শরমীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উঠে দাঁড়াবার কালে: কবি ও সাংবাদিক কাজী নুসরাত শারমীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উঠে দাঁড়াবার কালে’ হয়েছে এ বছর গ্রন্থমেলায়। বইটি প্রকাশ করেছে শ্রাবণ। পচ্ছদ এঁকেছেন নির্ঝর নৈঃশব্দ্য। মূল্য দুশ টাকা।

নতুন বই : মঙ্গলবার মেলার দশম দিনে ১৫২টি নতুন গ্রন্থ এসেছে। পার্ল পাবলিকশন্সে এনেছে রামেল ইয়ামীনের কাব্যগ্রন্থ এখানে ‘কেউ নেই, খেয়া প্রকাশনী এনেছে কর্নেল মো. রাব্বি আহসানের ‘কসমিক লাইফ’, শিশু গ্রন্থকুটির এনেছে ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থের ‘হ্যালো মি. গাবলু’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এনেছে শাহরিয়ারের ‘বেসিক আলী-১২’, সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘উপন্যাস ত্রয়ী’, বদিউর রহমানের ‘ড্রিম গার্লস, অবসর এনেছে নাবিল মুহতাসিমের ‘জুয়নবিদ্যা’, মহি মুহাম্মদের ‘ভাড়াবউ’, সাত ভাই চম্পা প্রকাশনী এনেছে খালেক বিন জয়েন উদ্দীনের ‘বঙ্গবন্ধু ও শেখ রাসেল’, ঐতিহ্য থেকে এসেছে মিজান মালিকের কাব্যগ্রন্থ ‘গল্প ছাড়া মলাট’, চমন প্রকাশ থেকে মমতা নূরের ? ‘নিষিদ্ধ প্রেমপুরী’, উচ্ছ্বাস প্রকাশনী থেকে রুদ্র আমিনের ‘অধরা’, ঘাসপুল থেকে রাশেদ রেহমানের উপন্যাস ‘নদীর নাম যমুনা’, ধানসিড়ি থেকে মিজান হাওলাদারের কাব্যগ্রন্থ ‘গন্তব্য নিঃসঙ্গ কলোনি’, গ্রিনওয়ার্ল্ড পাবলিকেশন্স থেকে রওশন জাহান মাসুমার ? ‘নিভ্রবিন্দু’, জসীম বুক হাউস থেকে ছড়াকার মাহমুদুল হাসান উজ্জ্বলের বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন অবলম্বনে ছড়াগ্রন্থ ‘আমার প্রিয় খোকা’।

মানবকণ্ঠ/এমএইচ




আরো সংবাদ

Loading...
ads






Loading...