শ্রীলঙ্কায় পেট্রল বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৮ জুন ২০২২, ১৫:৩১,  আপডেট: ২৮ জুন ২০২২, ১৬:২৫

ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়া শ্রীলঙ্কায় এবার ‘জরুরি নয়’ এমন যানবাহনের জন্য পেট্রল বিক্রি স্থগিত করা হয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী দুই সপ্তাহ দেশটিতে কেবল বাস, ট্রেন এবং ওষুধ ও খাদ্যপণ্য পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের জন্য জ্বালানি কেনা যাবে।

জ্বালানি, খাবার এবং ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর আমদানি মূল্য পরিশোধ করতে পারছে না শ্রীলঙ্কা। ডিজেলের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়ায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না শ্রীলঙ্কার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো। ফলে গত কয়েক মাস ধরে সেখানে দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। জ্বালানি সংকটের কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে দেশটির যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা।

বর্তমানে শ্রীলঙ্কার জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে সেনা প্রহরা বসানো হয়েছে। যারা জ্বালানি কিনতে আসছেন, সেনা সদস্যদের কাছ থেকে টোকেন নিয়ে পাম্পের সামনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। পাম্পে তেলের সরবরাহ এলে তবেই পেট্রোল, ডিজেল কিনতে পারছেন তারা।

চলমান অর্থনৈতিক সংকটের সমাধানে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে বেলআউটের আবেদন করেছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে আইএমএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে লঙ্কান সরকারের আলাচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে, সোমবার দেশটির রাজধানী কলম্বো এবং এর আশপাশের এলাকায় স্কুল বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের এই দেশটির কর্মকর্তাদের বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত মে মাসে দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিদেশি ঋণদাতাদের পাওনা পরিশোধে অক্ষমতা ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কা। গত সপ্তাহে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেলআউট চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে শ্রীলঙ্কা পৌঁছায়। এছাড়া দেশটির সরকার শ্রীলঙ্কা এবং চীনের কাছে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও অন্যান্য পণ্য সামগ্রী আমদানিতে সহায়তা চেয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এআই


poisha bazar