টিকা অনুমোদনের আবেদন ফাইজার ও বায়োটেকের

ফাইজার ও বায়োটেকের

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২১ নভেম্বর ২০২০, ১৩:৪১

করোনায় দিশেহারা বিশ্ববাসীর জন্য আরো একটি সুখবর। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ঔষধ কোম্পানী ফাইজার ও তার জার্মান অংশীদার বায়োটেক তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেতে আবেদন করেছে।

শুক্রবার ফাইজার/বায়োএনটেক দ্য ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশানে (এফডিএ) এ আবেদন করে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের ভ্যাকসিন কমিটি এই আবেদন নিয়ে আলোচনার জন্যে ১০ ডিসেম্বর বৈঠকে বসবে। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রতিজনগণকে আস্থাশীল করতে স্বচ্ছ্বতা ও আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ফাইজারের প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বাউরলা তাদেও করা আবেদনকে বিশ্বের কাছে করোনার টিকা পৌছে দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। টিকাটি ৯৫ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, আগামী ২৫ নভেম্বও নাগাদ মর্ডানা টিকা ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করবে। এছাড়া অক্সফোর্ড ও আস্ট্রাজেনকার যৌথভাবে তৈরি ভ্যাকসিনেরও তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা এখনও চলছে।

প্রসঙ্গত, ইতোমধ্যে মরণব্যাধিটিতে পুরো বিশ্বে ৫ কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এই যখন অবস্থা তখন অক্সফোর্ডের গবেষণায় জানা গেছে, একবার করোনায় আক্রান্ত হলে ছয়মাস আর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নাই। ব্রিটিশ স্বাস্থ্য কর্মীদের উপর সাম্প্রতিক এক গবেষণার ভিত্তিতে এমন তথ্য জানায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

রয়টার্সের খবরে প্রকাশ, একবার যারা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন তারা প্রথম সংক্রমণের পর অন্তত ছয়মাস নতুন সংক্রমণের ঝুঁকিমুক্ত থাকেন। এতে রোগটির বিরুদ্ধে দেহে গড়ে ওঠা প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্ষণস্থায়ী, এমন আশঙ্কা করা হয়। সুস্থতা লাভ করেও রোগীরা দীর্ঘমেয়াদী ভাবে নিরাপদে থাকতে পারবেন না- এমন ঝুঁকিও দেখা দেয়।

সেই প্রশ্নের উত্তর সন্ধানে অক্সফোর্ড বিজ্ঞানীদের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, একবার আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে পুনঃসংক্রমণের হার আগামীতেও খুব কম পরিমাণেই থাকবে।

অক্সফোর্ডের ন্যুফিল্ড ডিপার্টমেন্ট অব পপুলেশন হেলথের অধ্যাপক এবং গবেষণা কাজের সহ-দলনেতা ডেভিড আয়ার বলেন, বেশিরভাগ মানুষ একবার সংক্রমিত হওয়ার পর অন্তত ছয় মাস নতুন করে কোভিড-১৯ এর কবলে পড়বেন না। স্বল্প-মেয়াদী প্রভাব হলেও এটি সত্যিই অনেক ভালো খবর।

তিনি বলেন, বেশিরভাগ ব্যক্তির ক্ষেত্রে একবার কোভিড-১৯ সংক্রমণ তাকে সুস্থ হওয়ার পর অন্তত ছয় মাস নতুন সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে। পরীক্ষায় যাদের দেহে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে উপসর্গযুক্ত সংক্রমণের কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি।

স্বাস্থ্য কর্মীদের পরীক্ষার অংশ হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর নাগাদ ৩০ সপ্তাহ জুড়ে গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। গবেষণার ফলাফল এখনও অন্যান্য বিজ্ঞানীদের পর্যালোচনার অধীন রয়েছে। তবে এটি ইতোমধ্যে মেডআরজিভ জার্নালের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads