মালয়েশিয়ায় ফের লকডাউন বাড়ল

- ছবি : সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৬ অক্টোবর ২০২০, ২০:১৩

চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করানোভাইরাসের তাণ্ডবে প্রতিদিন মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। কোনো কোনো দেশে ইতোমধ্যে ভাইরাসটির সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। এদিকে মালয়েশিয়ায় করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা ঢেউ শুরু হওয়ায় সংক্রমণ রোধে নতুন করে দুই সপ্তাহের জন্য শর্তসাপেক্ষে কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (সিএমসিও) বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর আগে মালয়েশিয়ায় চলমান লকডাউনের মধ্যেই গত ১৪ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ২ সপ্তাহের জন্য কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার ঘোষণা করা হয়েছিল। যা ২৭ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা ছিল। আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত ২য় বারের মত ‘সিএমসিও’ বহালের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দেশটির সিনিয়র মন্ত্রী দাতোক সেরী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক্রমে আগামী ২ সপ্তাহ পর্যন্ত, কুয়ালালামপুর, কেএল, সেলেঙ্গর, পুত্রাজায়া, সাবাহ প্রদেশ গুলোতে শর্তসাপেক্ষে চলাচলা নিয়ন্ত্রণ আদেশ (সিএমসিও) বহাল থাকবে। পাশাপাশি ইতিমধ্যে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন বিধিনিষেধগুলো ও পূর্বের ন্যায় বহাল থাকবে।

গত ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন করোনা মহামারী মোকাবেলায় সারাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করার জন্য দেশটির রাজা আল সুলতান রিয়াতউদ্দিন আবদুল্লাহর কাছে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু রাজা জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর করোনায় দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ রোধে অফিসের পরিবর্তে কর্মীদের বাড়িতে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেন মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব

সেসময় তিনি বলেন, কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (সিএমসিও) আওতাভুক্ত সেলাঙ্গোর, সাবাহ, কুয়ালালামপুর, পুত্রাজায়া এবং লাবুয়ানের সরকারী ও বেসরকারী খাতের প্রায় ১০ লক্ষ কর্মীকে আগামী ২২ অক্টোবর থেকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসময় তিনি সকল কর্মীকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার অনুরোধ জানান।

দেশটিতে এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ৪০৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২৩৬ জন। তবে কোনো বাংলাদেশি মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads