• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ই-পেপার

বৈরুতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

- ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৮ আগস্ট ২০২০, ২১:৩৫

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ জোড়া বিস্ফোরণে দেড় শতাধিক মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে দেশটির জনগণ। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে বলপ্রয়োগ ও কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়া শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় কিছু বিক্ষোভকারী।

অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ এবং রাজনীতিতে সংস্কার চেয়ে কিছুদিন ধরেই লেবাননে বিক্ষোভ চলছিল। বৈরুতের ভয়াবহ বিস্ফোরণ সেই ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে রাজপথে বিক্ষোভে নামতে শুরু করেছে দেশটির জনগণ।

বৈরুতের ওই জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এখন পর্যন্ত ১৫৪ জন। আহত হয়েছেন ৫০০০ এর বেশি। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন আরো অনেকে। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যারা বিস্ফোরণের জন্য দায়ী তাদের খুঁজে বের করা হবে। কিন্তু দুর্নীতি, মুদ্রার পতন, অর্থনীতির ধস আর রাজনীতির সংস্কারের দাবিতে গত বছরের অক্টোবর থেকে বিক্ষোভ করে আসা লেবানিজরা সরকারের এমন আশ্বাসে আস্থা রাখতে পারছে না। তাই তারা পথকেই বেছে নিয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়া দুই মন্ত্রীকে সেখানে পৌঁছাতে দেয়নি ক্ষুব্ধ মানুষজন। ফারেস হালাবি নামে এক তরুণ বিক্ষোভকারী এএফপিকে বলেন, ‘তিন দিন ধরে চারপাশ পরিষ্কার, ধ্বংসস্তুপ মুছে ফেলা আর আমাদের ক্ষত ঢেকে রাখার পর এখন আমাদের ক্রোধ বিস্ফোরিত হওয়ার এবং তাদের শাস্তি দেওয়ার সময় এসেছে’।

বিক্ষোভ থেকে হিলদা নামের এক নারী বলেন, আমার দোকানের কি বেহাল দশা হয়েছে! শুধু আমার দোকানেই নয়, আমার পাশের দোকানে কিছুই নেই আর। যদি ক্ষমতার পরিবর্তন হয় আমি আবার ব্যবসা দাঁড় করাবো। এভাবেই চলতে থাকলে আমি আর এই ব্যবসায় নেই। মৃতের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুব্ধ লেবানিজরা রাস্তায় নেমে আসতে শুরু করেন। ৩০ বছর বয়সী মোহাম্মদ বলেন, আমরা আর কিছু সহ্য করতে চাই না। এটাই শেষ। এই সরকারকে চলে যেতে হবে। খবর: বিবিসি, আল জাজিরা, গার্ডিয়ান

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads







Loading...