• মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • ই-পেপার
12 12 12 12
দিন ঘন্টা  মিনিট  সেকেন্ড 

বৌদির ঘরে উঁকি নিয়ে কলহ, অতঃপর


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ১১:৪৯

বৌদির ঘরে উঁকি দিয়েছিলেন দেবর রমেশ। এ দৃশ্য দেখে ফেলেন বড় ভাই পরেশ। বড় ভাই বিষয়টি জানতে চাইলে দুই ভাইয়ের মধ্যে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি। আর এর জের ধরেই ছোট ভাইয়ের হাতে প্রাণ যায় হান্নানের।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের উত্তরপরগণায় নারায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

রমেশ ও পরেশের বাবা মেঘনাথ মিত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, রাতে পরেশের স্ত্রীর ঘরে উঁকি দেয় রমেশ। এ সময় বড় ভাই বিষয়টি টের পান। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রমেশ তাঁর বৌদিকে জড়িয়ে ধরেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরেশ দা নিয়ে ছোট ভাই রমেশকে তাড়া করেন। পরে পরেশের হাত থেকে দা ছিনিয়ে নিয়ে রমেশ তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ রমেশকে আটক করেছে। 

এদিকে বৌদির সঙ্গে রমেশের আপত্তিকর কোনো সম্পর্ক ছিল কি না তা নিয়েও কানাঘুষা শোনা যাচ্ছে। 

প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা যায়, রমেশ প্রায়ই তার বৌদি বণিতা নিয়ে নাইট শোতে সিনেমা দেখতে চলে যেত। তাদেরকে 'প্রেমিক-প্রেমিকার' মতো করে সেলফি তুলে ফেসবুকেও পোস্ট করতে দেখা গেছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য চলছিল পরেশের। 

সূত্র আরও জানায়, পরেশের সঙ্গে বিয়ের আগে তার স্ত্রীর এক সহপাঠীর গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই প্রেমিকেরই বন্ধু পরেশ। একরাতে সে বন্ধুর অভিসারের সময় তাকে পাহারা দেয়ার জন্য সঙ্গে যায়। সেসময় রাস্তার পাশের ঝোপে পথচারীরা তাদের দেখে ফেলে ধাওয়া করে। এসময় বন্ধু চম্পট দিতে সক্ষম হয়। কিন্তু লোকজনের হাতে ধরা পরে বিয়ে করতে বাধ্য হয় পরেশ। 

তখন থেকেই পরেশ তার স্ত্রীকে সন্দেহের চোখে দেখত বলে জানান রমেশ। তিনি বলেন, দাদার এই সন্দেহের কারণে সংসারে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। সে ভাবত আমি তার স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিতে যাব। কিন্তু সে ধরণের কোনো ইচ্ছাই আমার ছিল না।  




Loading...
ads






Loading...