রঙ অনুযায়ী কফের অর্থ


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৮ নভেম্বর ২০২২, ১৫:২৩

কফ কাশির মাধ্যমে বের হয়ে এলে তখন তাকে বলা হয় থুথু। 

অনেক সময় এই কফ বিভিন্ন রঙের হয়। জানেন কি কফের রঙ এর সাথে আমাদের শরীরের অবস্থাও বোঝা যায়। চলুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে-

হলুদ বা সবুজ কফ- ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হলে সাধারত কফের রং গাঢ় হলুদ হয়ে যায়। বিশেষ করে সাইনাসের সমস্যা বাড়লে সাধারণত এমন হয়ে থাকে। কফের রং এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অর্থাৎ নিচের কারণগুলোর জন্য এমন কফ হতে পারে।  

১। ব্রংকাইটিস
২। নিউমোনিয়া
৩। সাইনোসাইটিস
৪। সিস্টিক ফাইব্রোসিস 

বাদামি- বাদামি রঙের কফকে সাধারণত পুরনো রক্ত বলা হয়। কফ লাল বা গোলাপি হওয়ার পরে এই রংটি ধারণ করে। অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে কফের রং বাদামি হতে পারে। কফ জমে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

যে কারনে এমন কফ দেখা দেয়: 

১। ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়া
২। ব্যাকটেরিয়াল ব্রংকাইটিস
৩। সিস্টিক ফাইব্রোসিস
৪। নিউমোকোনিওসিস
৫। ফুসফুসের ফোড়া বা পুঁজ হলে

পানির মতো সাদা কফ- আপনার শরীর প্রতিদিন পরিষ্কার শ্লেষ্মা বা কফ উৎপন্ন করে। এই কফ বেশির ভাগই পানি, প্রোটিন, অ্যান্টিবডি এবং কিছু দ্রবীভূত লবণে ভরা থাকে। যা আপনার শ্বাসযন্ত্রের পদ্ধতিকে ভেজা এবং ময়েশ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। এ রকম পরিষ্কার কফ ভাইরাস বা অ্যালার্জি বৃদ্ধির কারনে হয়ে থাকে।

সাদা ঘন কফ- থকথকে সাদা কফ বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এর অর্থ হলো আপনার নাকের কোষগুলো সংক্রমণজনিত কারণে ফুলে গেছে। ফলে আগের মতো স্বাভাবিকভাবে কফ বাইরে আসতে পারছে না। পর্যাপ্ত আর্দ্রতা না পাওয়াতে এমন হচ্ছে। ভাইরাল ব্রংকাইটিস, সাইনাস, অনেক দিন ধরে হজমের সমস্যা হলে এমন হতে পারে। অনেক সময় হার্ট ঠিকমতো কাজ না করলেও এমন হতে পারে।  

গোলাপি কফ- গোলাপি কফকে লাল রঙের আরেকটি রং হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কফের মধ্যে রক্ত ​​আছে। আবার হতে পারে, ফুসফুসে একধরনের তরল জমা হয়েছে। চিকিৎসা পরিভাষায় যার নাম ‘এডিমা’। দীর্ঘদিন ধরে বুকে কফ বসে থাকার কারণে সংক্রমণ হয়।

এমন কিছু হলে দেরী না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

সূত্র : হেল্থ লাইন

মানবকণ্ঠ/আরসি 


poisha bazar