মাইগ্রেনের যন্ত্রণা মুহূর্তেই কমাতে পারে গাঁজা!

মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:০০

গাঁজা ক্ষতিকর না উপকারি, তা নিয়ে বিতর্কের কোনো শেষ নেই! বিশ্বজুড়ে গাঁজা নিয়ে এ পর্যন্ত কম গবেষণা তো হয়নি! তবুও এ বিষয়ে মত পার্থক্য এখনও রয়েই গেছে। তবে বিশ্বের বেশিরভাগ গবেষণাতেই গাঁজার ক্ষতিকারক দিকগুলিই বার বার সামনে এসেছে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গাঁজা বা মারিজুয়ানার বেশ কয়েকটি ভেষজ গুণ রয়েছে। যেমন, গাঁজা শরীরের ব্যথা বোধ কমাতে সাহায্য করে। বছর খানেক আগে ফ্রান্সের ‘বায়োমেডিক্যাল ইনস্টিটিউট’-এর একটি গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়, গাঁজা থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ব্যথানাশক ওষুধ প্রস্তুত করা সম্ভব। শুনতে আশ্চর্য লাগলেও সমীক্ষা বলছে, যারা নিয়মিত মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কষ্ট পান, গাঁজা সেবনে তারা সহজেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন।

‘বায়োমেডিক্যাল ইনস্টিটিউট’-এর গবেষকদের দাবি, গাঁজার মধ্যে রয়েছে ‘ক্যানবিনাইডস’ আর ‘টেপ্রনিস’ নামের দু’টি রাসায়নিক যৌগ যা মাথা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, প্রচণ্ড মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় গাঁজা পাতার গন্ধ শুঁকলে ব্যথার তীব্রতা অনেকটাই (প্রায় ৫০ শতাংশ) কমে যায়।

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এবং সহঅধ্যাপক কেরি কাটলার জানান, ১ হাজার ৩০০’রও বেশি মাইগ্রেনের রোগীকে দীর্ঘদিন ধরে তারা পর্যবেক্ষণে রেখে দেখেছেন।

এতে দেখা গেছে, গাঁজা সেবনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে এর থেকে গুরুতর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা থাকে না। বরং, যে কোনো ব্যথানাশক ওষুধ বা পেইন কিলারের চেয়ে অনেক দ্রুত এবং প্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীনভাবে ব্যথা কমানো সম্ভব।

সম্প্রতি, বিখ্যাত মার্কিন স্বাস্থ্য বিষয়ক পত্রিকা ‘জার্নাল অব পেইন’-এ (The Journal of Pain) প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, ‘স্ট্রেনপ্রিন্ট’ অ্যাপের সাহায্যে গবেষণা চালিয়ে গাঁজা সেবনের আগে ও পরে মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় রোগীদের অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখেন গবেষকরা। তারপরই তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, গাঁজা সেবনের ফলে ফুসফুসের ক্ষতির পরিমাণ তামাক পাতা দিয়ে ধূমপানের চেয়ে কম। তবে গাঁজা সেবনের মাত্রা সামান্য বেশি হলেই মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

মানবকণ্ঠ/আরবি





ads







Loading...