হাড় ক্ষয় একটি নীরব ঘাতক

ডা. এম ইয়াছিন আলী

মানবকণ্ঠ
হাড় ক্ষয় একটি নীরব ঘাতক - মানবকণ্ঠ।

poisha bazar

  • ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:২৪

আগামী ২০ অক্টোবর বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস, বিশ্বব্যাপী অস্টিওপোরোসিস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। আসুন আমরা জেনে নিই অস্টিওপোরোসিস কী, কেন হয়, এর প্রতিকার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ এমন একটি অসুখ যার ফলে হাড়ের ঘনত্ব নির্দিষ্ট মাত্রায় কমে যাওয়ায় হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। ২০ থেকে ৩৫ বছর হাড় তার পূর্ণতা লাভ করে, তারপর ৪০ বছরের পর থেকে হাড় তার ক্যালসিয়াম ও ফসফেট হারাতে থাকে, এর ফলে হাড়ের পরিবর্তন হয়, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। ৫০ বছর বয়সে ১৫ ভাগ এবং ৭০-৮০ বছর বয়সে ৩০ ভাগ মহিলার হিপ বোন বা নিতম্বের হাড় ভেঙ্গে যায়।

অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ কী?

হাড়ের ভেতরের ঘনত্ব বাড়া-কমা একটি চলমান প্রক্রিয়া। ১৬-১৮ বছর বয়সের দিকে হাড়ের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি হওয়া বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু ২০ বছর বয়স পর্যন্ত হাড়ের ভিতরের ঘনত্ব ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত হাড়ের গঠন ও ক্ষয় একসঙ্গে একই গতিতে চলতে থাকে। ৪০ বছর বয়সের পর থেকে প্রাকৃতিক নিয়মে বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় ক্ষয়ের মাত্রা একটু একটু করে বাড়তে থাকে। তাই নির্দিষ্ট বয়সে হাড়ের ক্ষয় একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। হাড়ের এই ক্ষয় বাড়তে বাড়তে হাড় যখন নরম ও ভঙ্গুর হয়ে যায় সেই অবস্থাকে অস্টিওপোরোসিস বলা হয়।

অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগের প্রাদুর্ভাব: এই রোগে মহিলা ও পুরুষ উভয়ই আক্রান্ত হয়, তবে মহিলাদের বিশেষ করে মেনোপজ বা ঋতুস াব বন্ধের পর শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যায়, যার ফলে হাড়ের ক্ষয়ের মাত্রা বেড়ে যায় এবং পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোন ৭০ বছর বয়সে কমতে শুরু করে তখন হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়। তবে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সারাবিশ্বে ৫০ বছরের অধিক বয়সের প্রতি ৩ জন মহিলার মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ৫ জন পুরুষের ১ জন অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগে আক্রান্ত ।
যারা অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হন তাদের মধ্যে ৮০ ভাগই মহিলা এবং ২০ ভাগ পুরুষ।

কাদের অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বেশি?
বর্তমানে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ বিশ্বব্যাপী বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে হুমকির সম্মুখীন করে দিয়েছে।

অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকিপূর্ণরা হলেন :
১। মেনোপজ বা ঋতু স াব বন্ধ পরবর্তী মহিলারা।
২। এশীয় বা ককেশীয়ানরা।
৩। যাদের পরিবারের কারো অস্টিওপোরোসিস আছে।
৪। যারা পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ করেন না।
৫। যারা ব্যায়াম করেন না।
৬। যাদের ওজন কম।
৭। ধূমপায়ীরা ও অ্যালকোহল পানকারীরা।
৮। কিছু অসুখ অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যেমন রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস। যাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কম। যাদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কম। যাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেশি। যাদের শরীরে প্যারাথাইরয়েড হরমোনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেশি। যাদের রোগে খাবারের শোষণ ব্যাহত হয়। যেমন - পবষরধপ ফরংবধংব। যে সব রোগে অনেকদিন শুয়ে থাকতে হয় । যেমন - ব্রেইন স্ট্রোক, এইচ আই ভি ইত্যাদি। বোন ক্যান্সার।

৯। কিছু ওষুধও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যেমন
- তিন মাসের অধিক সময় ধরে কর্টিকস্টেরয়েড ট্যাবলেট খেলে
- খিচুনবিরোধী ওষুধ খেলে
- বোন ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহƒত ওষুধ
- প্রস্টেট ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহƒত ওষুধ ইত্যাদি।

অস্টিওপোরোসিস নির্ণয়ের পরীক্ষা:

অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় ও দুর্বল রোগ সহজেই নির্ণয় করা যায়

ক্লিনিক্যাল উপসর্গ এবং স্বাভাবিক পর্যবেক্ষণ এর মাধ্যমে: চিকিৎসক আপনার শারীরিক বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল উপসর্গ পর্যবেক্ষণ এবং পূর্ববর্তী রোগ ও ওষুধ গ্রহণের ইতিহাস এবং বিভিন্ন ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করে আপনার অস্টিওপোরোসিস আছে কিনা নির্ণয় করতে পারেন।

হাড়ের এক্স-রে: চিকিৎসক আপনার শরীরের হাড়ের এক্স-রে করে তাদের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তারা আপনার হাড়ের ঘনত্ব বুঝতে পারেন ।

বি এম ডি(বোন মিনারেল ডেনসিটি) বা হাড়ের ঘনত্ব নির্ণয় পরীক্ষা: আপনার অস্টিওপোরোসিস হয়েছে কিনা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে জানতে বি এম ডি (বোন মিনারেল ডেনসিটি) বা হাড়ের ঘনত্ব নির্ণয় পরীক্ষা করা হয়। এটি সাধারণ এক্সরে স্ক্যানিং এর মতো একটি স্ক্যান বা পরীক্ষা যা সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত, সহজ এবং যেটা খুব সামান্য রেডিয়েশন ব্যবহার করে করা যায়।

অস্টিওপোরোসিস এর পরিণতি কী?

অস্টিওপোরোসিস একটি নীরব ক্ষয় রোগ। প্রাথমিক অবস্থায় অস্টিওপোরোসিস এর তেমন কোনো উপসর্গ দেখা দেয় না। অস্টিওপোরোসিস তখনই যন্ত্রণাদায়ক হয় যখন হাড়ে ফাটল ধরে বা হাড় ভেঙ্গে যায়।
অস্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব কমে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়, ফলে দেখা যায় যে খুবই সামান্য পরিমাণ আঘাত লাগলে বা দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে গিয়েই শরীরের বিভিন্ন জায়গার হাড় ভেঙ্গে যেতে পারে।
সাধারণত প্রথমবার হাড় ভাঙ্গার আগে কোনো উপসর্গই দেখা যায় না। অস্টিওপোরোসিসের কারণে শরীরের যে কোনো জায়গার হাড় ভেঙ্গে যেতে পারে তার মধ্যে মেরুদণ্ডের হাড়, নিতম্ব বা হিপ জয়েন্ট, কবজি বা রিস্ট জয়েন্টের হাড় ভাঙ্গার পরিমাণ বেশি লক্ষ্য করা যায়।

কিভাবে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ করবেন:

শৈশব, কৈশোর অথবা যৌবনকালে অর্থাৎ বাড়ন্ত বয়সে হাড়ের বৃদ্ধি সাধন হয় সেই সময়টাই হাড়কে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার আসল সময়। এ সময় হাড়ের ঘনত্ব পর্যাপ্ত পরিমাণে গঠন করে নিতে পারলে তা বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের ক্ষয় এবং ভাঙ্গার ঝুঁকির বিরুদ্ধে টিকে থাকতে সক্ষম হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় তার ক্যালসিয়াম ও ফসফেট হারিয়ে দুর্বল হতে থাকে এবং ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। তাই শক্তিশালী রাখতে আমরা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারি

১। সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা
ক্যালসিয়াম: আপনার খাদ্যতালিকায় যেন প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।
আমাদের শরীরে প্রতিদিন ক্যালসিয়ামের চাহিদা নিম্নরূপ-
১ থেকে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন ৮০০ মিলিগ্রাম
১১ থেকে ২৪ বছর বয়স পর্যন্ত মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১২০০ মিলিগ্রাম
২৪ বছরের বেশি বয়স্ক পুরুষের প্রতিদিন ১০০০ মিলিগ্রাম
গর্ভবতী ও স্তন্যদানরত মায়ের জন্য প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম
মেনোপজ পরবর্তী মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম
যাদের অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি আছে এমন পুরুষ ও মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম।

কি কি খাবারে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে?

ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার: সবচেয়ে বেশি ক্যালসিয়াম থাকে দুগ্ধজাত খাদ্যে যেমন-
১ সের ননী তোলা দুধে থাকে ৩০২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৮৫ ক্যালরি শক্তি
কম স্নেহজাতীয় দই এ থাকে ৪১৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১৪৫ ক্যালরি শক্তি
সয়া প্রোটিন প্রতি ৪ আউন্সে ৫০০ মিলিগ্রাম
সবুজ ফুলকপি বা ব্রকলি প্রতি ৪ আউন্সে ৪৫ মিলিগ্রাম
মুলা প্রতি কাপে ১৫০ মিলিগ্রাম
শালগম প্রতি কাপে ২০০ মিলিগ্রাম
সামুদ্রিক মাছ প্রতি ৩ আউন্সে ৩৭৫ মিলিগ্রাম

ভিটামিন ডি: আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ডি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, তবে তা যেন অতিরিক্ত না হয়। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়িয়ে হাড়ের গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

প্রতিদিন ভিটামিন ডি গ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা হচ্ছে ৪০০ আন্তর্জাতিক একক (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট)

ভিটামিন- ডি সমৃদ্ধ খাবার:
এই ভিটামিন পাওয়া যায় ডিমে, মার্জারিনে, কড লিভার তেলে, সামুদ্রিক মাছে ও গরুর কলিজায়। তাছাড়াও সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর অন্যতম উৎস, তাই মাঝে মধ্যে সূর্যালোকে যাবেন। আপনার শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি তৈরির জন্য প্রতিদিন মাত্র ১৫-২০ মিনিট সূর্যালোকে থাকলেই যথেষ্ট।


অন্যান্য খাবার: আপনার খাদ্যতালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের সরবরাহ নিশ্চিত করুন, এতে আপনার পেশী সুগঠিত হয়ে আপনার নড়াচড়া নিয়ন্ত্রিত হবে। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ফল খান যাতে ভিটামিন-বি, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, খনিজ পদার্থ, যেমন- ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রন থাকে যা হাড়ের গঠনে সহায়তা করে ।


২। নিয়মিত শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করুন: যারা নিয়মিত হাঁটেন, ব্যায়াম করেন ও কায়িক পরিশ্রমে অভ্যস্ত তাদের হাড়ের ক্ষয় ও হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি কম হয়ে থাকে।


নিয়মিত শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করলে কি কি উপকার হয়?
নিয়মিত শরীর চর্চা ও ব্যায়াম করলে
মাংসপেশী ও হাড়ের শক্তি ও দৃঢ়তা বৃদ্ধি পায় ।
হাড় ও হƒৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে।
জয়েন্টগুলোকে সচল রাখে ও রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় ।
বৃদ্ধ বয়সে হাড় ভাঙ্গার একটা প্রধান কারণ অস্টিওপোরসিস বা হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া বিশেষ করে
মহিলাদের হিপ ফ্রাকচারের ক্ষেত্রে, ব্যায়াম অস্টিওপোরসিস কমায়।
যোগব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হয় ফলে পড়ে যেয়ে হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি কমে।
আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বৃদ্ধি পায় ।

৩। ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন: ধূমপানের দেহের হাড় গঠনকারী কোষ অস্টিওবøাস্টের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় যার ফলে হাড়ের ক্ষয়ের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে পড়ে গিয়ে হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে য়ায়, তাই অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।

৪। পতন রোধ করুন: সঠিকভাবে ভারসাম্য রক্ষা এবং সমন্বয় সাধন করতে না পারায় বয়স্কদের প্রায়ই পড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। যার ফলে নিতম্বের হাড় ভেঙ্গে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের জীবনধারার ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাই হাড় ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করতে পড়ে যাওয়া বা পতন রোধ করা খুব জরুরি। এজন্য সিঁড়ির পাশে দেয়ালে হ্যান্ড রেইলের ব্যবস্থা রাখুন, বাথরুমে সম্ভাব্য পতনের ঝুঁকি রোধে ধরার রড বা স্তম্ভ রাখুন। যেসব ঘরের মেঝে পিচ্ছিল সেগুলো কার্পেট দিয়ে ঢেকে দিন। অন্ধকারে উজ্জ্বল আলোর ব্যবস্থা রাখুন এবং রাতের বেলায় মৃদু আলোর বাল্ব জ্বালিয়ে রাখুন।

অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা কি?
অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো আপনার হাড়কে শক্তিশালী করে তোলা, হাড়ের ক্ষয়ের হার কমানো ও সর্বোপরি হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি কমানো। অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসায় যে সব ওষুধ ব্যবহার হয়, তার মধ্য উল্ল্যেখযোগ্যÑ
-এল্যেন্ড্রনেট সোডিয়াম
-রিসড্রনেট সোডিয়াম
-ইবান্ড্রনিক এসিড
-সিলেক্টিভ ইস্ট্রজেন রিসেপ্টর মডুলেটর
-প্যারাথাইরয়েড হরমোন চিকিৎসা
-ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট
-হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ইত্যাদি
তবে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করুন অস্টিওপোরোসিস মুক্ত থাকুন।

লেখক: ডা. এম ইয়াছিন আলী
বাত, ব্যথা ও প্যারালাইসিস রোগে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ
কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান - ফিজিওথেরাপি বিভাগ
প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
চিফ কনসালটেন্ট, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল,
ধানমণ্ডি, ঢাকা। মোবা : ০১৭৮৭১০৬৭০২




Loading...
ads





Loading...