সাফজয়ী ৪ জন পেল ৪ লাখ টাকা


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:৩৫

সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী দলের চার পাহাড়ি ফুটবল কন্যার জন্য আর্থিক পুরস্কার দেয়া হচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। মেয়েদের জন্য চার লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস। অভাব-অনটনে বেড়ে ওঠা এই মেয়েদের সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পুরো জেলা। তাদের দেখে ফুটবলের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন জেলার উদীয়মান ফুটবলাররা।

হিমালয় জয় করেছে নারী ফুটবলাররা। তার রেশ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশের পাহাড়েও। খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সাতভাইয়াপাড়া পাহাড়ি গ্রামের দুই যমজ সন্তান আনাই মগিনী ও আনুচিং মগিনী। বয়সভিত্তিক দল থেকে এখন জাতীয় দলের নির্ভরতার প্রতীক।

জেলার লক্ষ্মীছড়ির বাসিন্দা মনিকা চাকমা বাংলার মাঝমাঠে খেলছেন দীর্ঘদিন। এছাড়াও দলের সঙ্গে আছেন খাগড়াছড়ি সদরের আপার পেরাছড়ার বাসিন্দা তৃষ্ণা চাকমা। তিনি মনিকাদের সহকারী কোচ। হত-দরিদ্র পরিবরের জন্ম নেয়ায় শৈশব তাদের কেটেছে অভাব আর অনটনে। নিয়তির কী খেল! তাদের কল্যাণেই পরিবারগুলো এখন আলোকিত।

অভাব দূর হয়ে ফুটেছে সচ্ছলতার হাসি। সে সঙ্গে দেশের মুখ করেছেন উজ্জ্বল। পুরো দেশের পাশাপাশি উচ্ছ্বাসটা একটু বেশি ধরা দিয়েছে পার্বত্য জনপদ খাগড়াছড়িতে। আনাই ও আনুচিং, মনিকার পরিবার ছাড়াও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জেলার ক্রীড়া সংগঠকরা।

এদিকে ফুটবলকন্যাদের সাফল্যের জন্য আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস। তিন ফুটবলার আনাই মগিনী, আনুচিং মগিনী ও মনিকা চাকমাসহ সহকারী কোচ তৃষ্ণা চাকমাকে এক লাখ টাকা করে পুরস্কারের ঘোষণা দেন তিনি। এসময় সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান খাগড়াছড়ির এ জেলা প্রশাসক।

গণমাধ্যমকে প্রতাপ বলেন, ‘সমাজের বিভিন্ন বিত্তবান মানুষ আছে, বিত্তবান এজেন্সি আছে। কীভাবে আমাদের নারী ফুটবলকে আরও এগিয়ে নেয়া যায়, তারা সবাই এ বিষয়টা নিয়ে ভাববে। তাদের জন্য কীভাবে বাজেট বৃদ্ধি করা যায়, সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা যায় সেটা নিয়ে ভাববে। আজকে তারা সাফে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কিন্তু যে সম্ভাবনা তারা দেখিয়েছে, সঠিক পরিচর্যা করলে এ মেয়েরা এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেও শিরোপা জিততে পারবে।’

মানবকণ্ঠ/এমআই


poisha bazar