কোনোমতে হার এড়াল বার্সা

মানবকণ্ঠ
কোনোমতে হার এড়াল বার্সা - ছবি : সংগৃহীত।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৪৪

ইতালিয়ান সিরি’আ লিগে খুব একটা ভালো সময় যাচ্ছে না নাপোলির। ২৫ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয় নম্বরে আছে তারা। এতে করে আগামী মৌসুমে তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা অনেকটাই অনিশ্চিতের মুখে। এমন একটা দলের সঙ্গে কিনা ড্র করে এসেছে লা লিগার শীর্ষ ক্লাব বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে তাদেরকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে ইতালিয়ান জায়ান্টরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই নাপোলির জমাট বাধা রক্ষণ ভাঙতে হিমশিম খায় লিওনেল মেসিরা। গোল পাওয়া তো দূরের কথা উল্টো হলুদ কার্ড খেয়ে বসেন মেসি, আতোঁয়া গ্রিজম্যান ও সার্জিও বুসকেটস। একই ম্যাচে দুই বার হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড পেতে হয়েছে বার্সেলোনার অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আর্তুরো ভিদালকে। লাল কার্ডের কারণে নাপোলির বিপক্ষে ঘরের মাঠে পরের ম্যাচ খেলা হবে না তার। এদিকে পরপর তিন ম্যাচে হলুদ কার্ডের জন্য ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন না বুসকেটসও। প্রথমার্ধে বার্সেলোনা লক্ষ্যে রাখতে পারেননি কোনো শট। ৩০তম মিনিটে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন ড্রিস মার্টেন্স। বার্সা ডিফেন্ডার জুনিয়র ফিরপোর ভুলে বল পেয়ে যান পিটার জিলিনিস্কি। তিনি বল বাড়িয়ে দেন মার্টেন্সের উদ্দেশ্যে। বুলেট গতির শটে বার্সার জাল খুঁজে নেন এই স্ট্রাইকার মার্টেন্স। একইসঙ্গে উঠে যান নাপোলির হয়ে সর্বোচ্চ গোলস্কোরারের তালিকার শীর্ষে। তার সমান ১২১ গোল রয়েছে মারেক হামসিকেরও।

দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের পুরোপুরি রক্ষণে ব্যস্ত রাখে নাপোলি। এতে করে মাঝমাঠে প্রচুর জায়গা পেয়ে যায় বার্সেলোনা। এত জায়গা দেয়ার মাশুলে গোল হজম করতে হয়েছে ইতালিয়ান ক্লাবটিকে। বুসকেটসের ডিফেন্স চেরা পাস পেয়ে নেলসন সেমেদো নিচু ক্রসে খুঁজে নেন গ্রিজম্যানকে। তাতে গোল করতে কোনো ভুল করেননি ফরাসি এই ফরোয়ার্ড। সমতা ফেরার পর গা ঝাড়া দেয় নাপোলি। ৬১তম মিনিটে আবার প্রায় এগিয়ে যাচ্ছিল। লরেন্সো ইনসিনিয়ের শট ঝাঁপিয়ে কোনোমতে ঠেকান স্টেগান। দুই মিনিট পর গোলরক্ষক বরাবর মেরে দারুণ একটি সুযোগ নষ্ট করেন হোসে কায়েহন। দুই দলের সামনেই সুযোগ এসেছিল এগিয়ে যাওয়ার। অমীমাংসিতভাবেই শেষ হয় ম্যাচ। আগামী ১৮ মার্চ ফিরতি লেগে ন্যু ক্যাম্পে মুখোমুখি হবে দল দুটি।

অপরদিকে ঘরের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছে চেলসি। এতে করে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে এক পা দিয়ে রাখল জার্মানের ক্লাবটি। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ম্যাচের ৫১ মিনিটে গোলের তালা ভাঙেন বায়ার্নের জার্মান মিডফিল্ডার সার্জি জিনাব্রি। মিনিট তিনেক পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ফরোয়ার্ড। চেলসির কফিনে শেষ পেরেকটি ঢুকে দেন বায়ার্নের পোলিশ তারকা রবার্ট লেওয়ানডস্কি। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads






Loading...