করোনার প্রভাবে কাজে মনোযোগ হারাচ্ছে কর্মীরা: গবেষণা


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫৪,  আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০, ১১:২০

করোনাভাইরাস নিয়ে দুশ্চিন্তা চোখে-মুখে স্পষ্ট না দেখা না গেলেও ভেতর ভেতর এ নিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। দৈনন্দিন সকল কাজের মধ্যে খুব গোপনে একটি শঙ্কা ঘাপটি মেরে বসে থাকে। অগোচরেই মনে হয়- এবার আমার পালা নয়তো?

করোনাভাইরাস নিয়ে এরকম নানা দুশ্চিন্তায় এতটাই মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে, যার প্রভাবে কাজে মন দিতে পারছেন না অনেকে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের নিয়ে সম্প্রতি এক গবেষণায় এ বিষয়ে নানান তথ্য উঠে এসেছে। তবে আশার কথা হলো গবেষণা বলছে, যদি কর্ম প্রতিষ্ঠান ভালো হয় বা প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রকৃত সহৃদয় হন, তা হলে তিনি এই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে এবং কাজে মন দিতে কর্মীকে সাহায্য করবেন।

এই গবেষণার মূল কাণ্ডারি হলেন অধ্যাপক জিয়া। তিনি বর্তমানে ওহায়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশার কলেজ অব বিজনেসের মানবসম্পদ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি বলেছেন, করোনা আমাদের মানসিক অবস্থা এমন করেছে যে আমরা এখন শুধু নিজের মৃত্যু নিয়েই ভাবছি। এতে কাজের ক্ষতি হচ্ছে। কারণ কাজে একদম মন বসানো যাচ্ছে না। এখানে উল্লেখযোগ্য যে এই গবেষণা করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে।

গবেষকরা এই ফলাফলে পৌঁছনোর পথে তিনটি আলাদা গবেষণা করেন। প্রথম গবেষণা হয় চীনের একটি প্রযুক্তি কোম্পানিতে। সেখানে ১৬৩ জন কর্মচারীকে নানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গবেষণাটি চালানো হয় তখন যখন বিশ্বে করোনা পরিস্থিতি মহামারী আকার ধারণ করলো।

পরে যুক্তরাষ্ট্রেও একই রকমের একটি গবেষণা করা হয়। এক্ষেত্রে কর্মচারীদের কাছ থেকে শুধু করোনা সংক্রমণ নিয়ে তাদের চিন্তা ও অস্থিরতার কথা জানতে চাওয়া হয়নি। জানতে চাওয়া হয়েছে যে কোম্পানিতে তারা কাজ করেন সেটা কেমন বা যার অধীনে তারা কাজ করেন তিনি কী রকম? সেই জন্য এক থেকে সাতের মধ্যে একটি নম্বর দিতেও বলা হয় তাদের।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের গবেষণার ফলাফল মোটামুটি একই এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা কোভিড-১৯ নিয়ে বেশি পড়াশোনা করেন, তাদের মানসিক চাপ অনেক বেশি। অন্যদিকে যেসব কর্মচারীরা তাদের বসকে অনেক বেশি নম্বর দিয়েছেন, তাদের কিন্তু মানসিক চাপ অনেক কম দেখা গেছে।

এর কারণ হিসেবে দেখা গেছে, কম মানসিক চাপে থাকা কর্মচারীদের তাদের বস বিভিন্ন গঠনমূলক বা জনকল্যাণমূলক কাজে নিযুক্ত করেছেন। যা তাদের বাড়তি চাপ কমাতে সাহায্য করেছে।





ads







Loading...