পরকীয়ার জেরে স্ত্রীর করা মামলায় কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৩:০৩

পরকীয়ার অভিযোগ এনে স্বামী প্রেমিকাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার পর গ্রেফতার হয়েছেন রাজধানীর দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মাজহার আনাম।

গতকাল মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) মাজহারের স্ত্রী ফিরোজা পারভীন বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাতজনকে আসামি করে দারুস সালাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ দারুস সালামের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠালে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, মাজহারের ভাই কামরুল ইসলাম (৪১), মাকসুদ আনাম (৩৮), বোন মিলি (৪৮), ভাগিনা ফুয়াদ (২০), মামাতো ভাই সাগর সরকার (৪৫), পরকীয়া প্রেমিকা নাজমা আক্তার মুন্নি।

ফিরোজা পারভীন বলেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুর ছোট বোন। মাজহারের সঙ্গে ১২ বছর ধরে সংসার করে আসছিলো। তাদের ১১ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ছেলে সন্তান রয়েছে। সন্তান হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময় মাজহার যৌতুকের জন্য তার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে ফিরোজার পরিবার দফায় দফায় ২০ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র মাজহারকে দেয়। তিনি একজন লম্পট, চরিত্রহীন, পরনারী আসক্ত, বিভিন্ন মহিলাদের সাথে তার কু-রুটিপূর্ণ ছবি আছে।
সে অস্ত্র মামলার আসামি, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে ধরা পড়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিলো, ওই মামলাটি এখনও চলমান। গতবছর ডিসেম্বর মাসে আরো ১০ লাখ টাকার জন্য তাকে মারধর করা হয়। চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি একমাত্র শারীরিক এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আপোষ মিমাংসার উদ্দেশ্যে গত সোমবার সন্ধ্যায় স্বামীর বাসায় গিয়ে দেখতে পায় আলমারির তালা ভাঙ্গে ১৫ ভরী স্বর্নালঙ্কার, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র সরিয়ে ফেলেছে। পরে মাজহারসহ অন্য আসামিরা যৌতুকের টাকার জন্য আবারো মারধর করে তাকে।

ফিরোজার ভাই সাচ্চু বলেন, পারিবারিকভাবে মাজহারকে বারবার বুঝানোর চেষ্টা করলেও কোন কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে আমার বোন মামলা করেছে। তার সঙ্গে একাধিক নারী অবৈধ সর্ম্পক রয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এনএস


poisha bazar

ads
ads