ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে ফের লকডাউন


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৬ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৫৭

করোনা ভাইরাসের অতি সংক্রামক একটি ধরন ছড়িয়ে পড়ার পর আক্রান্ত ও রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে শুরু করায় ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে নতুন করে লকডাউন জারি করা হয়েছে। টিকা কর্মসূচি লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানোর আগেই বাড়তে থাকা করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সোমবার ইংল্যান্ডজুড়ে লকডাউন জারির আদেশ দিয়েছেন।

নতুন এই লকডাউন ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত জারি থাকতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী জনসন জানিয়েছেন। এ সময় ইংল্যান্ডের প্রত্যেক বাসিন্দাকে বাধ্যতামূলকভাবে বাসায় অবস্থান করতে হবে, শুধু অনুমোদিত কারণে বাইরে বের হওয়া যাবে।

সব স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকবে এবং মঙ্গলবার থেকে দূরশিক্ষণ শুরু করা হবে। আক্রান্ত ও রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সামনের সপ্তাহগুলো ‘সবচেয়ে কঠিন’ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জনসন। তিনি জানান, যে চারটি দলকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে করোনা ভাইরাস টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হবে তা আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।

মধ্য ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব বৃদ্ধনিবাসের সকল বাসিন্দা ও তাদের সেবাদানকারীদের, সত্তরোর্ধ্ব সব নাগরিকদের, সামনের সারিতে থাকা স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের এবং চিকিৎসাগতভাবে ঝুঁকির মুখে থাকা রোগীদের করোনা ভাইরাস টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হবে।

স্কটল্যান্ড এর আগেই ‘স্টে-অ্যাট-হোম’ নির্দেশ জারি করে। ওয়েলস জানিয়েছে, অধিকাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে। নর্দান আয়ারল্যান্ডের স্কুলগুলোর ‘দূরশিক্ষণ বর্ধিত সময়ের’ জন্যও অব্যাহত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ইংল্যান্ডের লকডাউনের নিয়মগুলো এখন থেকে আইনে পরিণত হবে, কিন্তু তার আগেই জনগণকে অবিলম্বে সেগুলো অনুসরণ করতে বলেছেন জনসন। ‘দেশ সংগ্রামের শেষ পর্বে প্রবেশ করছে’, তিনি এমনটি বিশ্বাস করেন বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। মহামারী শুরু হওয়ার পর যে কোনো সময়ের চেয়ে কোভিডের কারণে হাসপাতালগুলো ‘

এখনই সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে’ বলেও জানিয়েছেন তিনি। মহামারীর প্রথমদিকে ব্রিটেনে যে স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছিল তার পুনারাবৃত্তি করে জনগণকে অবিলম্বে ‘বাড়িতে অবস্থান করার, এনএইচএসকে রক্ষা করার ও প্রাণ বাঁচানোর’ তাগিদ দেন তিনি।






ads
ads