করোনা প্রতিরোধে অনেক দেশ ভুল পথে হাঁটছে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৪ জুলাই ২০২০, ০৯:৪৫

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে অনেক দেশই ভুল পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ড. টেড্রোস আদহানোম গেব্রিয়েসাস। তিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে সঠিক পদক্ষেপ না নিলে করোনা ভাইরাস আরো ভয়াবহ হিসেবে দেখা দিতে পারে। এই ভাইরাস এখনো মানুষের বড় শত্রু।

সোমবার জেনেভায় এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, দেশগুলো মৌলিক স্বাস্থ্যসেবায় সাবধান না হলে মহামারি আরও প্রকট হতে পারে।

সহসাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে, অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে। সাম্প্রতিক সংক্রমণের ৮০ ভাগই হচ্ছে মাত্র দশটি দেশে। এরমধ্যে ৫০ শতাংশ দুটি দেশের। সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে। শিগগিরই স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ নেই।

বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ বাড়ায় আবারও আরোপ করা হচ্ছে বিধি-নিষেধ। ক্ষণে ক্ষণে রং বদলাচ্ছে করোনা ভাইরাস। সপ্তাহ-খানেক আগে বিভিন্ন দেশে আক্রান্তের হার কিছুটা কমতে শুরু করলেও সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে সংক্রমণ আবারও ঊর্ধ্বমুখী।

মেক্সিকোতে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে মারা গেছেন। কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে ব্রাজিলের করোনা পরিস্থিতি। এছাড়া দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ শুরু হওয়ায় হংকং ও শ্রীলঙ্কায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কাজাখস্তানে বাড়ানো হয়েছে লকডাউন। সংক্রমণ বেড়েছে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্সেও। সংক্রমণ ও মৃত্যুর এ ঊর্ধ্বগতির মধ্যে বিভিন্ন স্থানে খুলে দেয়া হয়েছে দোকান-পাট।

এদিকে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৩ হাজারের বেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

করোনা নিয়ন্ত্রণে অন্যতম উপায় হতে পারে ওষুধ বা ভ্যাকসিন। বর্তমানে শতাধিক ভ্যাকসিনের বিভিন্ন পর্যায়ে ট্রয়াল চলছে। মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ এগিয়ে রাখছে জার্মানির বিয়নটেক এবং মার্কিন ফাইজারের ভ্যাকসিনকে।

চীনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাসটি তার গঠনে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন করেনি। ভ্যাকসিন তৈরিতে এটি এটিকে ইতিবাচক বলছেন তারা। এরমধ্যেই, ন্যায্যতা অনুসারে ভ্যাকসিন নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

তিনি বলেন, ভ্যাকসিন যাদের খুব বেশি প্রয়োজন তাদের বাদ দিয়ে যদি আমরা সর্বোচ্চ দরদাতাদের দেই তাহলে এটা হবে অবিচার। যা মহামারিকে আরও দীর্ঘায়িত করবে। ন্যায্যতা অনুযায়ী ভ্যাকসিন বিতরণের বিষয়টি বিশ্বনেতাদের নিশ্চিত করতে হবে।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ

 





ads






Loading...