‘বাংলাদেশের আন্তরিকতা আমায় মুগ্ধ করেছে’

অদিতি মুন্সি
অদিতি মুন্সি

  • ১০ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩৫

কীর্তনের সুরে ফের সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন টালিগঞ্জের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অদিতি মুন্সি। গোটা কয়েক প্রোগ্রামে তাকে দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে। জানালেন প্রিয় দেশ তার বাংলাদেশ। তাই আর মিস করেননি তিনি কথার ঝাঁপি খুলে বসলেন আজকের ৭ প্রশ্নে তারকা জীবন বিভাগে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অর্ক রায় সেতু

গানের চর্চা...
গানটা আমরা সবাই গুণগুণ করি। তবে চর্চার ব্যাপারে বলবো চর্চা মানে একটা মহাসমুদ্র। তাতেই আমার মনে হয় গোটা একটা জীবন সেখানে কম পড়ে যাবে। চর্চা নামক বিশাল একটা মহাসমুদ্রের হদিস পেতে।

কীর্তন...
কীর্তন পেশা হিসেবে থাকবে এরকম ভাবনা আসলেই কখনও ছিল না। এগুলোর ব্যাপারে পরিবার থেকেও কোনোদিন রোশানলে পরতে হয়নি। তারা সবসময় চাইতো যা কিছু করছি আমি সেটা যেনো জানার জন্যে হয়। জানার এই জায়গা থেকে কীর্তনের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়। শেষমেশ কীর্তনটাকে আরো ভালো করে বুঝার জন্য আমি কীর্তন নিয়ে পড়াশোনা আরম্ভ করি। বলতে পারেন আস্তে-ধীরে নিজেকে তৈরি করতে থাকি এটার জন্য।

নেতিবাচকতা...
আমি মনে করি সমলোচনা প্রতিটি মানুষের জীবনে পজিটিভিটি দেয়। এই মানুষ গুলো আমার জীবনে এসেছে বলে আমি লড়াই করার শক্তি পেয়েছি। তাদেরকে অনেক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। তারা না থাকলে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারতাম না। নেতিবাচকতা সবসময় আমাকে মোটিভেট করে।

প্লেব্যাক...
টালিগঞ্জের প্লেব্যাক ইন্ডাস্ট্রিতে কম দেখার একটা কারণ। ব্যক্তিগত ভাবে আমি খুব একটা কাজ করিনা। বলতে পারেন চেনা গণ্ডির ভেতরে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি (হাসি)।

পণ্ডিত শঙ্কর ঘোষাল...
নজরুল গীতিটা আমি যখন গাইতাম। অবশ্যই কথাগুলো উপলব্ধি করে সেটা আমি করতাম। গুরুজীর কাছে যখন নজরুলগীতি শিখতে গিয়েছি গানের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছিল। গান গুলো বিভিন্ন লোকে যে ভাবে করতেন গুরুজী সব গুলো সম্ভাব্যরুপে রেফারেন্স হিসেবে আমাদের দিয়ে করাতেন। বলা চলে খুব যত্ন করে হাতে ধরে শেখাতেন। গুরু শিষ্য পরম্পরাটা তিনি অনেক সুন্দর করে করতেন।

স্বামী দেবরাজ...
হ্যাঁ, দেবরাজ বাবু একজন জন প্রিতিনিধি। এর আগে আমাদের কেউ কারো চেনা জানা ছিলনা। দুই পরিবারের সিদ্ধান্তে আমরা দুজন একটা সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছি। সেখান থেকে বেশ ভালো আছি। উনি ও ভীষণ রকমের গান পছন্দ করেন। আরেকটা কথা প্রফেশন কখনও আমাদের মাঝখানে আসেনা। সেটা দুজনে দুজনের কাজের জায়গাটা আলাদা থাকে।

বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা...
বাংলাদেশের আন্তরিকতা আমায় বারবার মুগ্ধ করেছে। সেখানে গিয়ে প্রত্যেকবার যে ভালোবাসা টুকু আমি পেয়েছি ভাবলে খুব আবেগপূর্ণ হয়ে পড়ি। যতবার উনাদের সামনে মঞ্চে দাঁড়ায় তাদের ভালোবাসায় খুব আপ্লæত হয়ে যায়। সত্যি বলতে অনেকসময় নিজের চোখে জল চলে আসে ওনাদের এই ভালবাসা দেখে। এখানকার মানুষের ভালোবাসা কয়েকটি শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে পারবোনা। রিসেন্ট সোনা বন্ধুরে এই গানটা বাংলাদেশের মানুষদের জন্য আমার উপহার হিসেবে ছিল। তারা নিঃস্বার্থভাবে আমাকে ভালোবাসেন, আশীর্বাদ করেন। তাদের কাছে গান ছাড়া আমার কাছে উপহার দেয়ার আর কিছু নেই।

মানবকণ্ঠ/এইচকে



poisha bazar

ads
ads