'আমার সব সময়ের ধ্যানজ্ঞান চলচ্চিত্র'

হুমায়ুন রশীদ সম্রাট
হুমায়ুন রশীদ সম্রাট

poisha bazar

  • হাসনাত কাদীর
  • ০৯ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০৫

সময়ের মেধাবী নির্মাতা হুমায়ুন রশীদ সম্রাট। টেলিভিশন ফিকশন, টিভি কমার্শিয়াল কিংবা মঞ্চ- সবখানেই তার সহজ বিচরণ। মেধাবী এ পরিচালক প্রস্তুতি নিচ্ছেন সিনেমা নির্মাণের। নির্মাণের পাশাপাশি সুঅভিনেতা হিসেবেও পরিচয় আছে সম্রাটের। তার সঙ্গে কথা বলেছেন হাসনাত কাদীর

বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?
বর্তমানে কয়েকটি টিভি নাটক আর বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের কাজ করছি, আর একটা ওয়েব সিরিজ নিয়ে কথা চলছে।

আপনার নির্মিতব্য সিনেমার কী খবর?
সিনেমার প্রথম ড্রাফটের স্ক্রিপ্টিং শেষ। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি বা মার্চে শুটিংয়ে যেতে পারব।

নির্মাতা হওয়ার গল্প জানতে চাই।
আমি ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি করতাম, নব্বইয়ের দশকে থিয়েটারের মাধ্যমে অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়েছিল। ২০০০ সালের পর পরই আমার নির্মাণের দিকে ভীষণ রকম ভালোলাগা কাজ করে। তারপর থেকেই আমি আসলে জানতে চেয়েছি- কীভাবে একজন ভালো মানের নির্মাতা হওয়া যায়। হঠাৎ তারেক মাসুদের সাথে কথা বলার সুযোগ পেয়ে যাই। তার ব্যক্তিত্ব, চিন্তা-ভাবনা, নির্মাণ শৈলী আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করে। তারপর থেকে আমি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করি। ২০১০ সালে এসে আমি প্রথম টিভি নাটক বানাই। এভাবেই আস্তে আস্তে নাটক, বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ চলতে থাকে। তবে এখানে একটা কথা বলে রাখি- আমি কিন্তু কখনোই নাটক বানাতে চাইনি, আমার সব সময়ের ধ্যানজ্ঞান চলচ্চিত্র।

সুঅভিনেতা হিসেবে আপনার পরিচিয় আছে। অভিনয় নাকি নির্মাণ কোনটি বেশি উপভোগ করেন?
অভিনয় আসলে আট বছর বয়স থেকে থিয়েটার করার কারণে। একটা লম্বা সময়ের প্রেম বলতে পারেন। কারণ আজও আমি থিয়েটার ছাড়তে পারিনি। আর নির্মাণ হচ্ছে আমার স্বপ্নের জায়গা, ভালোলাগা, ভালোবাসার জায়গা। তাই আমি আসলে দুটোই উপভোগ করি।

টেলিভিশন ফিকশন এবং বিজ্ঞাপন ছাড়াও মঞ্চ নাটক পরিচালনা করেন। কোনটি বেশি চ্যালেঞ্জিং?
সত্যি কথা বলতে এখনকার সময়ে টিভি নাটক বানানো খুবই চ্যালেঞ্জিং মনে হয়। বাজেট স্বল্পতা, সময়ের স্বল্পতা। যে প্রতিকূলতার ভেতর দিয়ে নাটক বানাতে হয় তা আর কোনো মাধ্যমে নেই। আর বিজ্ঞাপনচিত্র আমার কাছে জাস্ট বাণিজ্যিক ফরমায়েশি কাজ মনে হয়। তবে টাকা পয়সার বালাই না থাকলেও আমি থিয়েটারকেই সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে করি।

বাংলা চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ কোনদিকে?
মানুষেরই ভবিষ্যৎ কোন দিকে তা-ই এখন আর বোঝা যাচ্ছে না। তাই বাংলা চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ তো আরও বেশি ভয়ংকর মনে হচ্ছে। তবে সেই সাথে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি অনলাইন প্লাটফর্মের জন্য। আমাদের দেশে খুব শিগগিরই সব ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ হবে এবং দর্শকেরও সব ধরনের চলচ্চিত্র গ্রহণ করার মানসিকতা দেখতে পাচ্ছি।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
বিশ্ব মানের চলচ্চিত্র নির্মাণ করা। আমি আমৃত্যু চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চাই।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads