‘কিছু চরিত্র গল্পকে প্রাণবন্ত করে’

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৪৫,  আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:৩৭

ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে একের পর এক নতুন নায়িকার আবির্ভাব হচ্ছে। নতুনের তালিকায় যোগ হলো আরও একটি মিষ্টি মুখের নাম। ঢালিউডে পূর্ণাঙ্গ নায়িকা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে নতুন এক পূর্ণিমার! পুরো নাম পূর্ণিমা বৃষ্টি। এর আগে তিনি ‘ঢাকা ড্রিম’ নামের একটি ছবিতে কাজ করেছেন। পূর্ণিমার দ্বিতীয় ছবি ‘গিরগিটি’। ছবির পরিচালক সৌরভ কুন্ডু। যেখানে তিনি সুযোগ পাচ্ছেন প্রধান পূর্ণাঙ্গ নায়িকা হিসেবে। ‘গিরগিটি’ চলচ্চিত্রের দ্বিতীয় লটের শুটিংয়ে প্রধান নায়িকা চরিত্রে কাজ করবেন তিনি। ‘গিরগিটি’ সিনেমা ও শোবিজের বিভিন্ন অনুষঙ্গ নিয়ে কথা হয় এই অভিনেত্রীর সঙ্গে। কথা বলেছেন— অচিন্ত্য চয়ন

আপনার শোবিজে আসার শুরুর গল্প বলুন

ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’-এর একটি কম্পিটিশনে সারাদেশে প্রথম হওয়ার সৌভাগ্য হয়। তারপর কাজের ইচ্ছা, আত্মবিশ্বাস এবং মূলত ফ্যাশন এবং বিজ্ঞাপনের  মডেল হিসেবে শোবিজে কাজ শুরু হয় আমার।

অভিনয় পেশা, নেশা নাকি শখ?

মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয় করার সুযোগ হয় এবং আগ্রহ তৈরি হয়। শুরুর পথচলাতে সবকিছুই আমার জন্য প্রায় অজানা ছিল। কাজ করতে করতে কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে— প্রতিনিয়ত হচ্ছে। সেই আলোকে বলতে পারি আমার অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা আছে। আমার মনের মতো কিছু চরিত্র ও গল্পে অভিনয় করার ইচ্ছে খুব। অভিনয় এখন শখ নয় আবার পুরোদস্তুর পেশাও নয়। দুই তিনটা পেশার একটি। বাকিটা আমার অভিনয় যোগ্যতা এবং সময় সবকিছু বলে দেবে।

প্রথম সিনেমায় অভিনয় করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

দারুণ। যে কোনো প্রথমই অন্যরকম ভালোলাগার। বিনোদন দুনিয়ায় সিনেমা সর্বোচ্চ মাধ্যম। প্রায় সব শিল্পীই এ মাধ্যমে কাজ করতে চায়। আর সেটা পূরণ হওয়ার অভিজ্ঞতা বলে বা লিখে বোঝানো কঠিন।

গিরগিটি সিনেমায় আপনার চরিত্র নিয়ে বলুন...

একটি গল্পে সব চরিত্রই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমার মনে হয়। তার মধ্যে কিছু চরিত্র গল্পের রং পাল্টে দেয়। আপাতত এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাইছি না। থিয়েটারে আমন্ত্রণ সবাইকে।

গিরগিটির গল্প ভালোলাগার কারণ কী?

একটি গল্পের নাম অনেক অর্থ বহন করে। আমার বিশ্বাস গিরগিটি এই নামকরণই গল্পের ভিন্নতার ইঙ্গিত দেয়। আর ওই যে বললাম নিজের মনের মতো কিছু চরিত্র আর গল্প আমাকে টানে। এটা তেমন। 

আপনি বাংলা চলচ্চিত্রকে কিভাবে দেখেন?

একজন বাঙালি আর বাংলা সিনেমার দর্শক হিসেবে বলতে চাই— বাংলা চলচ্চিত্রের গৌরবময় ইতিহাস সবার জানা— সময় ও সমাজের মানুষের কথা বলে। তবে নানা রকম উত্থান পতনও আছে। তবু দিন শেষে আমার কাছে বাংলা চলচ্চিত্র গৌরবের।

বর্তমান আপনার অবস্থান নিয়ে কি সন্তুষ্ট?

জি আমি খুশি আছি। নিজের ভালো থাকা খুশি থাকা নিজের কাছে। মানুষ তার অসুখ আর অসেন্তোষ নিজেই তৈরি করে। আমি আমার মতো ভালো আছি।

প্রতিবন্ধকতার কথা বলুন...

শোবিজ কেন? সাধারণ জীবনেও এই গল্প পরতে পরতে আছে। কারো কম বা বেশি। তবে এটা সত্যি আমি খুব বেশি ফেস করিনি। তা ছাড়া আমি জানি আমি কতটুকু চাই।

আপনার ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা কী?

সুস্থ সুন্দর থাকা। জীবনকে জটিল না করা। ভালো কাজ না করে কেউ টিকতে পারেননি শোবিজে। মানুষের মনে জায়গা করে নেবে— এমন কিছু কাজ করতে চাই।

‘ওয়েব সিরিজ’ নিয়ে কিছু বলুন...

আমি জাজমেন্টাল নই। সবকিছুরই ভালো-মন্দ আছে। তবে আমি আমার দেশ, সমাজ আর মূল্যবোধের পক্ষে।

বাংলা চলচ্চিত্রের ভবিষ্যত্ ...

এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রশ্ন। অনেক গুণীজনেরা আছেন। তারা কি বলেন, আমি তা শুনতে পছন্দ করি। ব্যক্তিগতভাবে পজিটিভ মানুষ।

পরবর্তী প্রজন্মকে কিছু বলুন...

আমি নিজেও মাত্র কাজ করছি। তাদের জন্য বলতে গেলেও আমার সময় আর নিজের শক্ত একটি অবস্থান লাগবে। সবার কাছে আমার জন্য দোয়া চাই। সহযোগিতা আর সমর্থন চাই।

দর্শকদের কাছে কি চাওয়া...

গিরগিটির জন্য সবার সমর্থন ও ভালোবাসা কামনা করছি। কৃতজ্ঞতা জানাই ছবিটির নির্মাতা সৌরভ কুন্ডু দাদা এবং গিরগিটি পরিবারের সবাইকে।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads