‘ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নাটকে নিয়মিত হওয়া’

মানবকণ্ঠ
সাইমা সিকদার নীরা

poisha bazar

  • ১৪ জুলাই ২০২০, ১৪:১৪,  আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২০, ১৪:১৬

সাইমা সিকদার নীরা পুরো নাম হলেও শোবিজ অঙ্গনে নীরা নামেই পরিচিত। নীরা জীবন শুরু করেন টিভিসির মাধ্যমে। এরপরে বাড়তে থাকে কাজের পরিধি। কাজের পরিধি বৃদ্ধির সাথে সাথে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন এই অভিনেত্রী। অভিনয় তার প্রিয় পেশা হলেও গান, মডেলিং ও উপস্থাপনা নিয়েও কাজ করছেন। তবে পর্দায় নিজেকে অভিনেত্রী হিসাবে দেখতে বেশি পছন্দ করেন। করোনাকালে ঘরবন্দি সময় পার করছেন এই তরুণ অভিনেত্রী। এ সংকটকালে জীবনের বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন আজকের ‘৭ প্রশ্নে তারকাজীবন’ বিভাগে-

কিভাবে কাটছে করোনাকাল?
আমার বসে থাকা মোটেও পছন্দের নয়। কাজ করতে ভালোবাসি এবং কাজে ব্যস্ত থেকে সময় পার করতে পছন্দ করি। কাজের মধ্যে দিনযাপনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কিন্তু মহামারী করোনার সময় একটু বিভ্রান্তিতে কাটছে। তবুও সংকটের সময় সবার মতো আমিও ঘরে থাকছি। সুস্থ স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকলে ইনশাল্লাহ অনেক কাজ করা যাবে। পৃথিবী সুস্থ হোক এই কামনা করি।

আপনার শুরুর গল্প বলুন
আমার স্বপ্ন ছিল অভিনয় করা, নিজেকে অভিনেত্রী হিসাবে পর্দায় দেখা। স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য ২০১৮ সালে প্রাচ্যনাটে থিয়েটার স্কুলিং শুরু করি। এই বছরেই পপকর্ণ প্রোডাকশন হাউজে জীবনের প্রথম অডিশন দেই। কলও আসে প্রথম টিভিসির জন্য। নিউ কামার হিসেবে রেদোয়ান রনির সাথে ক্যারিয়ারের শুরুটা ভাগ্যের বিষয়। এভাবেই যাত্রা শুরু। এরপর রেডিও একাত্তরে আরজে হিসেবে প্রায় দেড় বছর ছিলাম। এরপর চ্যানেল নাইনে এ্যাংকার হিসেবে যোগদান করি, এখনো আছি। তবে অভিনয়েই জীবন গড়তে চাই।

করোনাকালে যে সংকট যাচ্ছে তা কী কেটে ওঠা সম্ভব?
প্রতি শতকেই একটা মহামারী দেখা দেয়। আমরা কেউই আসলে প্রথম দিকে বুঝতে পারিনি এই করোনা পরিস্থিতি ঠিক এতোদূর গড়াবে। তবে আশা করা যায় আগামী ঈদের পর দেশ এবং মিডিয়া উভয়ই কিছুটা স্বাভাবিক পর্যায় ফিরে আসবে। তবে আমার পার্সোলান অপিনিয়ন দেশ অনেকটা স্বাভাবিক পর্যায়ই চলছে। তবে আতঙ্ক কাটতে আরো বেশ কিছু দিন সময় লাগবে।

প্রিয় গান নিয়ে বলুন
প্রিয় গান বলতে এই মুহূর্তে নিজের গাওয়া গানকেই বলবো। ‘টাইমপাস’ গানটির রেকর্ডিং করেছিলাম ২০১৯ এর প্রথমে। এরপর আর এটা নিয়ে তেমন কাজ বা প্ল্যানিং হয়নি। ২০২০ এর প্রথমে জিসিরিজ থেকে গানটা রিলিজের জন্য অফার আসে। কন্ট্রাক্টও সাইন করি কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য শুট করতে পারিনি। সবকিছু ঠিক হলে শুট করব আশা করছি।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আপাতত নাটকে নিয়মিত হওয়া। যেহেতু অভিনয় দিয়েই ক্যারিয়ারের শুরু। নাটকে একটা ভালো পর্যায় নিজেকে দেখতে চাই।

প্রতিদিন নিয়ম করে পালন করেন, এমন ৭টি কাজের কথা বলুন
আকাশ দেখা। এই কোয়ারেন্টাইনে প্রচুর মুভি সিরিজ দেখে সময় যাচ্ছে। ফিজিক্যালি ফিট থাকতে ওয়ার্কআউট ম্যান্ডেটরি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আড্ডা দেয়া হয়। বই পড়ি নিয়মিতই। এখন পড়ছি হুমায়ুন স্যারের ভয়। টিকটকে বেশ একটা এ্যাকটিভ হয়েছি কোয়ারেন্টাইনে। তবে এই সময়টায় যেটা থেকে বেশ দূরে আমি আছি কিন্তু খুবই প্রয়োজনীয় সেটা হচ্ছে রূপচর্চা। কিন্তু এই ব্যাপারটাতে আমার একটা আলসেমি কাজ করে বরাবরই।

বাংলা নাটকের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলুন
আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে নাটকের প্রসারতা অনেক বেশি। আমি বেশ কয়েকটা প্রফেশনের সাথে জড়িত। তবে আমি অভিনয়ের জায়গায় একটা শান্তি খুঁজে পাই। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ ভালো নাটক হচ্ছে। ফিকশনের কথাই যদি ধরি, অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটা এগিয়ে। সব মিলিয়ে বাংলা নাটকের ভবিষ্যৎ ইতিবাচক। আরো এগিয়ে যেতে হবে। সবাইকে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads






Loading...