‘পেশাগত কোনো কাজ করা হচ্ছে না’

মানবকণ্ঠ
আঁখি আলমগীর - মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • ৩০ জুন ২০২০, ১২:০২

আঁখি আলমগীর। এ প্রজন্মের জনপ্রিয় গায়িকা, অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা। তিনি বাংলা গানের ভুবনে গ্ল্যামার গায়িকা। অডিও, প্লে-ব্যাক আর স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত থাকেন পুরো সময়। গানের পাশাপাশি সম্প্রতি বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। আঁখি করোনাকালে ঘরবন্দি সময় পার করছেন। এ সংকটকালে জীবনের বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন আজকের ‘৭ প্রশ্নে তারকাজীবন’ বিভাগে-

করোনাকাল কিভাবে কাটছে?
বিশ্বের মানুষ একটা নতুন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে, কেউ ভাবতেই পারেননি। লকডাউনের আগে থেকেই বাসায়। ঘরবন্দি সময় কাটতে চায় না। টিভি দেখি, বই পড়ি, টুকটাক রান্না করি, নামাজ পড়ি, কোরান শরিফ অর্থ বুঝে পড়ার চেষ্টা করি। এভাবেই দিন চলে যাচ্ছে।

পেশাগত কোনো কাজ করছেন কী?
পেশাগত কোনো কাজ করা হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে কোনো কাজ করার মন-মানসিকতা থাকে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছি। আগে বেঁচে থাকি কাজ পরে করা যাবে। ‘মানুষ মানুষের জন্য’- এই বাক্যটি সবার মনে রাখা উচিত। মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। এ সময়টাতে আমাদের আরো মানবিক ও সহনশীল হতে হবে।

চলমান পরিস্থিতিতে শোবিজ অঙ্গনে যে ক্ষতি হচ্ছে তা কি কেটে ওঠা সম্ভব?
ক্ষতি এখনো হচ্ছে, আরো কত ক্ষতি হবে তা বলা কঠিন, কেউই নির্দিষ্ট করে বলতে পারবেন না। মার্চ মাসজুড়েই আমার শো ছিল। এপ্রিলেও শো ছিল। কিছুই তো হলো না। আমার একার শুধু না, আমার মতো অন্য সবারই একই অবস্থা। সংকট কেটে উঠতে সময় লাগবে, তবে সদিচ্ছা থাকলে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। যারা বেশি সংকটে আছেন সম্মিলিতভাবে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সব ক্ষতিই পুষিয়ে নিতে সময় লাগে। আমাদের ইতিবাচক হতে হবে। একে অপরের পাশে থাকতে হবে। বাকিটা আল্লাহ ভরসা।

আপনার গানের ভক্তদের সচেতন করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু করছেন?
করোনার শুরুতে অনেক জায়গায় সচেতনতামূলক ভিডিওবার্তা দিয়েছি। নিজের ফ্যান পেজ থেকে লাইভেও এসেছি। সাহায্য সহযোগিতা আমার মতো করে করছি। সংকটকালে মানুষ সাহয্য-সহযোগিতা একটু বেশি করেই করে। অনেকেই করেছেন কিন্তু প্রচার করছেন না।

প্রতিদিন নিয়ম করে পালন করেন এমন ৭টি কাজের কথা বলুন। 
করোনাকালে নিয়ম করে কাজ করা সম্ভব হয় না। তবু কিছু কাজ করতেই হয়। প্রার্থনা করি, বই পড়ি, টিভি দেখি, টুকটাক রান্না করি, স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং এক্সারসাইজ করি। মূলত ইতিবাচক কাজ করার চেষ্টা করি।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
এই মুহূর্তে নিরাপদে থাকা, বেঁচে থাকা বড় চাওয়া।? বেঁচে থাকলে ক্যারিয়ারের সেরা কাজ করতে পারব। আমার গানগুলো আগে রিলিজ করতে চাই। আমি মার্চে শো শেষ করে এপ্রিলে গানগুলোর শুটিং করব ঠিক করে রেখেছিলাম। কিন্তু করোনার কারণে কিছুই হয়নি। সংকট কেটে গেলে আস্তে আস্তে কাজ শুরু করতে চাই।

বাংলা গানের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলুন। 
আমি সবসময় আশাবাদী। বাংলা গানের ভবিষ্যৎ নিয়েও আমি হতাশার কিছু দেখছি না। ভালো গান হচ্ছে। তরুণরা বেশ ভালো করছে, ভবিষ্যতেও ভালো গান করবে- এমন প্রত্যাশা আমার। তবে আমাদের আরো এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads






Loading...